• সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
BK
ওষুধ আইন-২০১৮

প্রেসক্রিপশনে নিষিদ্ধ হচ্ছে অনিবন্ধিত ওষুধ

প্রেসক্রিপশনে নিষিদ্ধ হচ্ছে অনিবন্ধিত ওষুধ
সংরক্ষিত ছবি

রোগীর জন্য চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্রে (প্রেসক্রিপশন) অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ওষুধ লেখা নিষিদ্ধ করার বিধান রেখে ওষুধ আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ বিধান লঙ্ঘনে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকার অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনের খসড়ায়। এ ছাড়া ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজাল ওষুধের উৎপাদন বন্ধ, বিক্রি ও আমদানিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ‘ওষুধ আইন-২০১৮’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে আজ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ‘ওষুধ আইন-২০১৮’ এর খসড়া পাঠানো হয়। এর আগে জাতীয় ওষুধ নীতি, ২০১৬-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয় সরকার। এর দুই বছর পরে ওষুধ আইন ২০১৮-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন হতে যাচ্ছে।

নতুন আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, নিবন্ধন ছাড়া ছাড়া কোনো ব্যক্তি ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ, মজুতকরণ, প্রদর্শন ও বিক্রয় করতে পারবেন না। অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ওষুধ রোগীর ব্যবস্থাপত্রে (প্রেসক্রিপশন) লেখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিধান লঙ্ঘনে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকার অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে খসড়ায়।

আগের ওষুধ নীতিতে নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দামে ওষুধ বিক্রি করা হলে শাস্তি বিধানের বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না। নতুন নীতিতে বলা আছে- নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া বিধান যুক্ত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি জ্ঞাতসারে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ওষুধ ভেজাল করতে পারবেন না। কোনো ব্যক্তি যদি বিধান লঙ্ঘন করে, এক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকার প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর অন্তত একবার দাম হালনাগাদ করা যাবে। জনগণের অবগতির জন্য সব ওষুধের খুচরা দাম ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।