• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৭ সফর ১৪৩৯
BK

আইটিইউ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

আইটিইউ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
ছবি : ইন্টারনেট

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) কাউন্সিল নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৯-২২ মেয়াদে কাউন্সিল সদস্যপদের জন্য এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে গত মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে আইটিইউ সেক্রেটারিয়েটকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত দুবাইতে আইটিইউ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের শেষের দিকে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশের খবরকে বলেন, ‘আমরা পরপর দুবার আইটিইউ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলাম, এবারের নির্বাচন নিয়েও আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি ছিল। তবে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইটিইউ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেও নির্দেশনা রয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে আগে আইটিইউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ বাড়তি চাপ তৈরি করবে। এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও পরবর্তী মেয়াদে আবারো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। তবে নির্বাচন না করলেও আইটিইউতে বাংলাদেশের যে ভূমিকা পালনের কথা, তা ঠিকঠাকভাবেই চলবে বলেও জানালেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, এ বছরও বড় প্রতিনিধি দল নিয়ে আইটিইউ সম্মেলনে যোগ দেবে বাংলাদেশ, থাকবে একটি স্টলও।

আইটিইউ কাউন্সিল নির্বাচনে কাউন্সিল সদস্য হিসেবে পাঁচটি অঞ্চল থেকে ৪৮টি দেশকে নির্বাচিত করা হয়। এর মধ্যে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল বা ই-রিজিয়ন থেকে নির্বাচিত হয় ১৩টি সদস্য রাষ্ট্র। এ গ্রুপেরই সদস্য বাংলাদেশ। আইটিইউর ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ই-রিজিয়ন থেকে ১৮টি দেশ অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশ ১১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিল। এর আগে ২০১০ সালের কাউন্সিল নির্বাচনে এই অঞ্চল থেকে অংশ নেওয়া ১৭টি দেশের মধ্যে ১২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ।

এ বছর ই-রিজিয়ন থেকে ১৩টি আসনের বিপরীতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোয় বাকি দেশগুলো কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচিত হচ্ছে।