• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ সফর ১৪৩৯
BK
তদন্ত প্রতিবেদন জমা

বেপরোয়া গতির কারণে রংপুরে দুর্ঘটনা

বেপরোয়া গতির কারণে রংপুরে দুর্ঘটনা
সংরক্ষিত ছবি

বিভাগীয় শহরে দুই বাসের সংঘর্ষে আটজন নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে দুর্ঘটনার জন্য রুবি পরিবহনের বাসের বেপরোয়া গতিকে দায়ী করা হয়েছে। এ ছাড়া বিআরটিসি বাসের ফিটনেস না থাকায় বেশি হতাহত হয়েছে বলেও উঠে এসেছে। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল মান্নাফ কবির গতকাল সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। রশিদুল মান্নাফ বলেন, ‘রুবি পরিবহনের চালক বেপরোয়া গতিতে বাসটি চালান। একটি ইজিবাইককে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা বিআরটিসির বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ফিটনেসবিহীন বিআরটিসির বাসটি সড়কে চলাচলের উপযোগী ছিল না। বাসটির বডি ছিল খুবই দুর্বল। ফলে সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে হতাহতের ঘটনা বেড়ে যায়।’ গত ২ সেপ্টেম্বর রংপুর শহরে বিআরটিসির বাসের সঙ্গে রুবি পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ আটজন নিহত হন। ওই দিনই ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। প্রতিবেদনে সড়ক-মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন ভারী যান চলাচল বন্ধ করার পাশাপাশি অটোরিকশা, ভটভটি, নসিমন, করিমন ও টেম্পো চলাচল নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান রশিদুল।

দ্রুতবেগে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধে রংপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন দুই বাসের চালক, সহকারী, রুবি পরিবহনের মালিক ফারুক মণ্ডল ও বিআরটিসির বগুড়া ডিপোর তত্ত্বাবধায়ককে আসামি করে মামলা করেন। দুর্ঘটনার আট দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর কোতোয়ালি থানার এসআই সাইফুর রহমান বলেন, ‘আসামিরা গা ঢাকা দেওয়ায় গ্রেফতারে বিলম্ব হচ্ছে। তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

দুর্ঘটনায় আহত ১৭ জন এখনো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে হাসপাতালের পরিচালক অজয় কুমার রায় জানিয়েছেন।