• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
সিলেট চায় জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম লোগো

সংরক্ষিত ছবি

রাজনীতি

২০ দলে দর কষাকষি

সিলেট চায় জামায়াত

  • আফজাল বারী
  • প্রকাশিত ২৩ জুন ২০১৮

আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে দরকষাকষি চলছে ২০ দলীয় জোট প্রধান বিএনপির সঙ্গে শরিক জামায়াতের। দুই দলের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।  

১৯৯৮ সাল থেকে বিএনপির পাশে আছে জামায়াত। আন্দোলন, নির্বাচন এবং সরকার গঠন- এই তিন ইস্যুতে গড়া চারদলীয় জোট এখন ২০ দলে রূপ নিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বারবার ইস্যু তিনটি হাজির হয়েছে। বিভিন্ন সময় শরিকদের দাবি বা আবদার রক্ষাও করা হয়েছে। কিন্তু গত উপজেলা নির্বাচনের সময় থেকে জামায়াতের রহস্যময় আচরণে ক্ষুব্ধ বিএনপিসহ অন্য শরিকরা। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলটির বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের সঙ্গে পর্দার আড়ালে সমঝোতার অভিযোগ করেছে জোট শরিকরা। কারণ যে ইউপিতে জামায়াতের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন সেখানেই সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী জিতেছেন। সর্বশেষ রংপুর সিটি করপোরেশন নিয়ে দূরত্বটা আরো বেড়েছে। সেখানে জামায়াত কোনো ভূমিকাই রাখেনি। দলটির কথিত ২০ হাজার ‘রিজার্ভ ভোট’ ধানের শীষে পড়েনি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনেও দলটি কৌশলী ভূমিকা পালন করেছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন না হলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা করেছে জামায়াত। গাজীপুরেও চড়া মূল্য দিতে হয়েছে বিএনপিকে। একক মেয়র প্রার্থী করতে কাউন্সিলর পদে ৫টি আসন ছেড়ে দিতে হয়েছে।

এবার সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে চায় ২০ দল। গত বুধবার এ নিয়ে জোটের বৈঠক হয়েছে। সেখানে জামায়াতের প্রতিনিধি আবদুল হালিমকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম শূরা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে। আগামী ২৭ জুন ফের বৈঠক করে তিন সিটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

কী ভাবছে জামায়াত- এমন প্রশ্নের জবাবে জোটের আরেক শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা বাংলাদেশের খবরকে জানান, অন্যগুলোতে ছাড়ের বিনিময়ে জামায়াত সিলেট সিটিতে প্রার্থী দিতে চায়। সেখানে তারা প্রার্থী করতে চায় এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে। সিদ্ধান্ত জানাতে আরো দুই দিন বাকি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশের খবরকে বলেন, সিলেট জামায়াত চাইতেই পারে। তবে আলোচনা করেই ঐকমত্যে পৌঁছাব। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি দেখছেন। আমরা আপাতত গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী সিলেট মহানগরের আমির ও কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বাংলাদেশের খবরকে বলেন, আমরা জোটের সিদ্ধান্ত মেনেই একক প্রার্থী দিতে চাই। শরিকদের বলেছি, ‘বাকি সবক’টি নিন, সিলেট দিন।’ তারা যেন সিলেট আমাদের দেয়। বাকি সবক’টিতে আমরা তাদের সমর্থন দেব। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। ২৭ জুনের মধ্যে একটা ফায়সালা হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। অপেক্ষা করুন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads