• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক স্পেস নেই : ফখরুল

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সাংরক্ষিত ছবি

রাজনীতি

দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক স্পেস নেই : ফখরুল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ জুলাই ২০১৮

বিএনপির সহযোগী সংগঠন জিয়া পরিষদকে সেমিনার করতে না দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকায় বিএনপির কর্মসূচিতে সরকার বাধা দিচ্ছে। দেশে আজ ন্যূনতম গণতান্ত্রিক স্পেস নেই, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। গতকাল সকালে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সেমিনার কক্ষে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে ‘বুদ্ধিজীবী সমাবেশ’ অনুষ্ঠান পুলিশ বাতিল করায় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে ‘বুদ্ধিজীবী সমাবেশ’ হওয়ার সব আয়োজন করা হয়েছিল জিয়া পরিষদের পক্ষ থেকে। সেমিনার কক্ষে ব্যানারও টানানো হয়। ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। কিন্তু জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর মুরাদকে সকাল সোয়া ১০টার দিকে পুলিশ সদস্যরা জানিয়ে দেয়, এই অনুষ্ঠানের কোনো অনুমতি নেই। আপনারা সমাবেশ করতে পারবেন না। পরে আয়োজকরা অনুষ্ঠানটি বাতিল করে।

এর একপর্যায়ে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে আসলে আয়োজকরা বিষয়টি জানায়। পরে গাড়ি থেকে নেমে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার নিন্দা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশ নয়, অরাজনৈতিক একটি সংগঠনের সমাবেশ ছিল। সেটাকেও এই সরকার করতে দেয়নি। এটা খুবই পরিতাপের কথা, ক্ষোভের কথা, দুর্ভাগ্যের কথা, আজকে বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ বিভাগ একটা ভয়ঙ্কর দুঃশাসনের কাজ করছে, অত্যাচার-নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। বিএনপি এই ঘটনার নিন্দা জানায়।

তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিরোধী দলের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কোথাও ন্যূনতম কথা বলার পরিবেশ নেই। সারা দেশে কথা বলার, সভা সমাবেশ করার কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার নেই, তারই প্রমাণ কর্মসূচি পালন করতে না দেওয়া।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবির মুরাদ বাংলাদেশের খবরকে বলেন, তারা রমনা জোনের ডিসির কাছে লিখিতভাবে অনুমতির জন্য আবেদন করেছিলেন। তিনি তাদের মৌখিকভাবে বলেছিলেন, সমাবেশ করতে। কিন্তু আজ (শনিবার) এখানে আসার পর পুলিশ বলছে লিখিত অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করা যাবে না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads