• সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের আশঙ্কা কাদেরের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

সংরক্ষিত ছবি

রাজনীতি

সতর্ক থাকার আহ্বান

নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের আশঙ্কা কাদেরের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তি ফের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এজন্য তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, বিএনপির পাতা ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না, আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। না হলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।

গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর পলাশীর মোড়ে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা উদ্বোধনের আগে কাদের এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক পোলারাইজেশন হচ্ছে জাতীয় ঐক্যের নামে। ভোটের রাজনীতির কারণে জাতীয় ঐক্যের নামে তারা সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ করছে দেশে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের মনে আছে ২০০১ ও ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর কী ভয়াবহ অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছিল। তারা যদি আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। তাই এই অপশক্তিকে রুখে দিতে শেখ হাসিনার সরকারকে আগামী নির্বাচনে জয়ী করতে হবে। বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারকে একমাত্র সংখ্যালঘুবান্ধব সরকার বলে দাবি করেন তিনি।

দেশে দুই ধরনের শত্রু আছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, দেশে প্রকাশ্য ও গোপন শত্রুরা এখন তৎপর। তবে প্রকাশ্য শত্রু থেকে গোপন শত্রুরা বেশি ভয়ানক। তারা আগামী নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন বানচালের জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তারা চাচ্ছে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করে দেশে অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করতে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিকে আমাদের রুখে দিতে হবে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যদি আপনারা আপনাদের আত্মমর্যাদা ধরে রাখতে চান, এই দেশে আপনাদের অধিকার রক্ষা করতে চান, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ওই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করার শপথ আপনাদের নিতে হবে।

সঠিক সময়ে দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয় করছে তারাই বলছে নির্বাচন হবে না। আগামী ৯ তারিখ সংসদের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশন শেষ হলে এমপিদের আর সংসদীয় ক্ষমতা থাকবে না। ফলে নির্বাচনের মাঠে কোনো ধরনের প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে না; ইসির আইন অনুযায়ী চলতে হবে সবাইকে। তাই যারা সংসদ নিয়ে কথা বলছেন তাদের কথা ভিত্তিহীন।

জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads