• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

নৌকার কাণ্ডারী মেজর রফিকই আস্থা তৃণমূলের

মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম

ছবি : বাংলাদেশের খবর

রাজনীতি

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি)

নৌকার কাণ্ডারী মেজর রফিকই আস্থা তৃণমূলের

  • মহিউদ্দিন আল আজাদ, চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৮ নভেম্বর ২০১৮

হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা মিলে চাঁদপুর-৫ আসন গঠিত। এর মধ্যে শাহরাস্তি উপজেলার আয়তন ১৫৪.৩১ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ২২৬৭৮৬জন। ইউনিয়ন ১০ ও পৌরসভা ১টি। ভোটার সংখ্যা ১৭০৯৫৩জন। পুরুষ ভোটার ৮৪৭০৭জন এবং মহিলা ভোটার ৮৬২৪৬জন।

অপর দিকে হাজীগঞ্জ উপজেলার আয়তন ১৮৯বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩২৭৩৬৭জন। ইউনিয়ন ১২টি ও পৌরসভা ১টি। ভোটার সংখ্যা ২৪২৮২৮জন। পুরুষ ভোটার ১২৩৫৪৫জন এবং মহিলা ভোটার ১১৯২৮৩জন।

এ আসনে ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ থেকে প্রথম নির্বাচন করে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এম এ মতিনকে পরাজিত করে বাজিমাত করে এমপি নির্বাচিত হন মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, তত্ত্ববধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। মূলত: ১৯৯৬ সালে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে উন্নয়নের কিছু ছোঁয়া লাগে।

পরবর্তী সময়ে তিনি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি এম এ মতিনের কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরেযান। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে। সে সময় হাজীগঞ্জের ৪নং কালচোঁতে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান আব নছর মিন্টু পাটওয়ারীর বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দেশগাঁও ও কাশিমপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্বাচনীয় সহিংসতা ও ৯নং গন্ধর্ব্যরপুর উত্তর ইউনিয়নের তারালিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাদের উপর নির্বচনের পরবর্তী সহিংসতায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় তিনি নেতা-কর্মীরে পাশে দাঁড়ায়।

এছাড়াও শাহরাস্তির মুজিব নগর খ্যাত বৃহত্তর টামটা, চিতোষী ও রায়শ্রীতে আওয়ামীলীগ নেতাদের উপর অত্যাচরের খড়গ নেমে আসে। তিনি নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেন।

পরবর্তীকালে তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালে তিনি নৌকা মার্কার টিকেট নিয়ে পর পর দু’বার এমপি নির্বাচিত হন।

মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপির হাত ধরেই হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি উপজেলা উন্নয়নের মডেলে পরিণত হন। দু’উপজেলার এমন কোন রাস্তা, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা নেই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তিনি ২২ বছর যাবত হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির মানুষের সাথে থেকে তৃণমূলে আস্থা অর্জন করেছে।

আর এ কারণে মেজর রফিকের প্রতি রয়েছে কর্মী এবং সমর্থকদের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। রয়েছে অকুণ্ঠ সমর্থন। বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে এমনটাই স্পষ্ট হয়েছে। ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি সর্বত্রই জননন্দিত ও জনসমর্থিত। সবকিছু মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো মেজর রফিককে এগিয়ে রাখবে।

তৃণমূলের জনগন হাজীগঞ্জ-শাহরস্তির উন্নয়নের স্বার্থে আবারো মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমকে হিসেবে দেখতে চাই।

হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির এলাকায় তার আমলে ডাকাতিয়া নদীর উপর ৮টি ব্রীজ নির্মাণ করে এবং প্রায় দেড়’শ কিলো মিটার সড়ক নির্মাণ করেন। সাড়ে ৩’শ স্কুল কলেজ ভবন, ৬’শর মতো ছোট বড় ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ করেন।

বিশেষ করে ২০০৮ সাল থেকেই হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি উপজেলার যোগা-যোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে।

এ ব্যাপারে চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ রোটা. আহসান হাবিব অরুন বলেন, আমরা শতভাগ আশাবাদী আওয়ামীলীগ সভানেত্রী মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম’কেই নৌকার হাল ধরার দায়িত্ব দেবেন। কারণ, হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিবাসির অকৃত্রিম ভালবাসায় তিনি সিক্ত। উন্নয়ণের জন্য তাকেই প্রয়োজন।

শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান মিন্টু বলেন, মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্ত একজন বিশাল মনের মানুষ। তিনি রনাঙ্গনের সম্মুখের একজন যুদ্ধা। জীবন বাজি রেখে ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধ করে দেশকে হানাদার মুক্ত করেছেন। তার আমলেই হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, সাংস্কৃতি, কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমই পাবেন। তার বিকল্প কোন প্রার্থী হতে পারেনা।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads