• বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
ads

রাজনীতি

ছাত্ররাজনীতি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর ‘না’

  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত ১০ অক্টোবর ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের বিষয়টি দৃঢ়ভাবে নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, আমাদের স্বাধিকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনসহ সব সংগ্রামে গৌরবময় ভূমিকা রেখেছে ছাত্র সংগঠনগুলো। তাই ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কোনো প্রশ্নই আসতে পারে না।’

গতকাল বুধবার অপরাহ্নে প্রধানমন্ত্রী তার গণভবনের বাসায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৭৪তম অধিবেশনে যোগদান ও ভারত সফরের বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি বুয়েটের ছাত্র আবরারকে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যার পর উত্থিত বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার দৃঢ় মতামত আমি ব্যক্ত করেছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ইতোমধ্যে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নয়, একজন মা হিসেবে এর যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ করা যায়। আর ছাত্ররাজনীতি হলো সেই গুণ ও যোগ্যতা অর্জনের অন্যতম পন্থা। অতএব ছাত্ররাজনীতি অবশ্যই থাকবে। আমরা নিজেরাই তো ছাত্ররাজনীতি করে আজকের এ অবস্থানে এসেছি। তবে বর্তমানে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের যে দাবি উঠেছে সে ব্যপারে বুয়েটের ছাত্র-শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’

তবে তিনি বলেন, ‘শুধু ঢাকাই নয়, গোটা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অস্ত্র, হানাহানি ও সন্ত্রাসমুক্ত করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যপারে দলমত নির্বিচারে সব অপরাধীকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। অন্যায়কারী যে দলেরই হোক কোনো প্রকার ক্ষমা করা হবে না।

অন্য এক প্রশ্নকারীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান বাধ্যতামূলকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ছাত্র সংগঠনের নাম রেজিস্ট্রি করার বিধান চালু করায় ছাত্র সংগঠনগুলোর ভেতর দলীয় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির শাসনামলে সংগঠিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হত্যাকাণ্ড, অস্ত্রের ঝনঝনানি ও বিভিন্ন রকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads