• বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬
ads
ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি

ছবি : সংগৃহীত

রাজনীতি

ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৩ অক্টোবর ২০১৯

ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ওমর ফারুক চৌধুরীর অব্যাহতির পর এবার তাকে এ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

সম্প্রতি রাজধানীর ক্যাসিনোকাণ্ডে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিরোনামে আসেন মোল্লা কাওছার। এ কারণে তাকে আর স্বেচ্ছাসেবক লীগে রাখা হবে না- এমনটিই ধারণা করেছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। অবশেষে সেটিই হল।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে আলোচিত ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু কাওছার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তবে পদ থেকে অব্যাহতির বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে যুবলীগের চেয়ারম্যান পদ থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া ওমর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী-সন্তানদের সব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (লেনদেন স্থগিত) করা হয়। সেই একই জালে সপরিবারে আটকা পড়েন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসারও। তার সঙ্গে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরও তিন নেতার ও তাদের পরিবার সদস্যদের এবং গ্রেপ্তার হওয়া দুই কাউন্সিলর মিজান ও রাজীবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে হিসাব জব্দের জন্য পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, চিঠিতে তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তর না করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, মোল্লা আবু কাউসার, তার স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নিলা এবং তাদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত থাকবে। পাশাপাশি নির্দেশ দেয়া হয়েছে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান, যুবলীগ নেতা কেএম মাসুদুর রহমান, কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান ও তারেকুজ্জামান রাজিব এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অনুসন্ধান এবং জব্দেরও।

এর আগে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, নুরন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি, সেলিম প্রধান, জিকে শামীম, খালেদসহ বেশ কয়েকজন এবং তাদের পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads