• শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮
জয়বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: কাদের

ফাইল ছবি

রাজনীতি

জয়বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: কাদের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার মূল্যবোধকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের রাজধানীতে তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সম্মেলনে যুক্ত হন।

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বণি জয়বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তীকালে তাঁর ভূমিকা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। জিয়াউর রহমান নিজেই নিজেকে বিতর্কিত করেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করে বলেন, রক্ত দিয়ে অর্জিত এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলন্ঠিত করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। আজকের উগ্র সাম্প্রদায়িকতার উৎসমুখ জিয়াউর রহমানই উন্মুক্ত করেছিলেন।

তিনি বলেন, একজন সেক্টর কমান্ডারের এমন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তি তোষণ ও পোষণ নীতিতে জিয়াউর রহমান নিজেই নিজেকে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

১৫ আগস্ট পৃথিবীর ইতিহাসের নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের প্রধান বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়াউর রহমান এ কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমানই খুনীদের পূনর্বাসন করেছিলেন, বিভিন্ন দূতাবাসে দিয়েছেন এবং খুনিদের বিদেশে পালিয়ে যেতেও সহযোগিতা করছেন। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির জনক।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে বলেন, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। বিতর্কিত ও বসন্তের কোকিলদের দলে আনা যাবে না।

আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ৫ম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, অন্যান্য ধাপের মতো আগামীকালের নির্বাচনেও সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূলে জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে এগিয়ে নিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রার্থীতাসহ অন্যান্য বিষয়ে দলীয় নির্দেশনা বা গাইড লাইন ইতিমধ্যেই জেলায় পাঠানো হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়ন কমিটি সভা করে এক থেকে তিনজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে দলের ইউনিয়ন কমিটির রেজুলেশন বা লিখিত সুপারিশ উপজেলা ও জেলা কমিটির স্বাক্ষরসহ ধানমন্ডির দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্থানীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সুপারিশকৃত নামসমূহ যাচাই বাছাই ও বিভিন্ন জরিপ শেষে দলীয় সভাপতির নেতৃত্বে মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থীতা চূড়ান্ত করবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads