• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
প্রয়োজনে ফেসবুক বন্ধ করতে পারে সরকার : জব্বার

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

সংরক্ষিত ছবি

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রয়োজনে ফেসবুক বন্ধ করতে পারে সরকার : জব্বার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৭ আগস্ট ২০১৮

রাষ্ট্রীয় বা জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সরকার ফেসবুক, এমনকি ইন্টারনেটও বন্ধের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। গতকাল সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘আইটিইউ বিটিআরসি এশিয়া-প্যাসিফিক রেগুলেটরস রাউন্ডটেবিল-২০১৮’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সবার আগে রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তা এবং অন্য বিষয়গুলো অস্বীকার করার উপায় নেই। আবার যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যে পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে কিংবা জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে তখন প্রযুক্তির দিকে তাকিয়ে থাকা কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আমাকে বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্রতম সেক্রিফাইস করতেই হবে। এটি সঙ্গত কারণেই করতে হবে। রাষ্ট্র বাঁচাব, না ফেসবুক বাঁচাব? আমাকে অবশ্যই রাষ্ট্র বাঁচাতে হবে।

এ সময় নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় মৃত্যুর গুজব ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফেসবুকে আমাদের ফিল্টারিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা কেবল ফেসবুককে অনুরোধ করতে পারি। ফেসবুক আমাদের সব কথা শোনে না, কিন্তু কিছু কথা শোনে। কারণ ফেসবুক তার নিজের (আমেরিকান) আইন অনুযায়ী কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে।

প্রসঙ্গত, র্যাডিসন ব্লু হোটেলে গতকাল আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) ও এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের টেলিকম সংস্থার (এপিটি) উদ্যোগে এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির যৌথ আয়োজনে টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের পাঁচ দিনব্যাপী দুটি সম্মেলন শুরু হয়েছে। যার প্রথম পর্ব হচ্ছে ‘আইটিইউ বিটিআরসি এশিয়া-প্যাসিফিক রেগুলেটরস রাউন্ডটেবিল-২০১৮’। দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক, আইটিইউর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক আইওয়ান করোইভুকি এবং এপিটির মহাসচিব মিস আরিওয়ান হাওরাংসি। দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্ম অধিবেশনে ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন : ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য ইকো-সিস্টেম, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি উন্নয়নের বাধাসমূহ ও এর প্রতিকার, নব নব প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ ও এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহের করণীয়, সবার জন্য ব্রডব্যান্ড সেবা, গ্রাহকের ডাটার নিরাপত্তায় লিগ্যাল এবং রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্কসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হবে।

দ্বিতীয় পর্বে ৮-১০ আগস্ট হবে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের টেলিকম সংস্থার ১৮তম এপিটি পলিসি অ্যান্ড রেগুলেটরি ফোরাম (পিআরএফ-১৮)। উক্ত ফোরামে এ অঞ্চলের জন্য উচ্চপর্যায়ের টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত পলিসি এবং রেগুলেটরি ইস্যুসমূহ নিয়ে আলোচনা হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads