• সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

খেলা

মেসি-সুয়ারেজের জাদুতে শেষ রক্ষা বার্সার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০১ এপ্রিল ২০১৮

লা লিগায় এই মৌসুমে বেশ ফর্মে আছে বার্সেলোনা। একটা ম্যাচও হারেনি তারা। শুধু লা লিগাই নয়, গত এক বছরে ভালভার্দের শিষ্যরা কোনো ম্যাচেই হারের তিক্ত স্বাদ পায়নি। এই কৃতিত্ব রোববার ম্লান হতে বসেছিল সেভিয়ার বিপক্ষের ম্যাচে। হারতে হারতে শেষ পর্যন্ত ড্র করেই রক্ষা। যথারীতি দলের জন্য যা করা দরকার তা করেছেন মেসি-সুয়ারেজ। এই দুই জনের জাদুতে শেষতক রক্ষা পেল বার্সেলোনা। সেভিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসির বার্সেলোনা। লা লিগার চলতি মৌসুমে অপরাজিতর খেতাবটাও হাতছাড়া করেনি স্প্যানিশ এই ফুটবল জায়ান্ট।

সাম্প্রতিক ইনজুরি এবং সামনে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল- এসব মাথায় রেখেই হয়তো ম্যাচের প্রথমার্ধে মেসিকে খেলানো হয়নি। হয়তো রোববার মেসিকে নামানোর পরিকল্পনাই ছিল না। কিন্তু দল যখন দুই গোল হজম করে বসে আছে, তখন মেসিকে ছাড়া আর উপায় কি! তবে, এই নির্ভরতার প্রতিদান দিয়েছেন মেসি। দলকে জেতাতে না পারলেও হারের লজ্জা থেকে বাঁচাতে পেরেছেন।

ম্যাচের প্রথমার্ধে খেলায় এগিয়ে ছিল সেভিয়াই। একের পর এক আক্রমণে বার্সার রক্ষণ ভেঙে পড়ছিল বারবার। বার্সার রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগেই প্রথম গোল পায় সেভিয়া। ৩৬ মিনিটে ফ্রাঙ্কো ভাসকসের গোলে ১-০–তে এগিয়ে যায় সেভিয়া। ৪৪ মিনিটে পিকে একটা সুযোগ পেয়েও সমতা ফেরাতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে সেভিয়া আরও চেপে ধরে বার্সাকে। ৫০তম মিনিটে গোল ব্যবধান বাড়িয়ে (২-০) সেভিয়াকে ভালো একটা উপলক্ষ প্রায় এনেই দিয়েছিলেন মরিয়েল। কিন্তু মেসি কিংবা সুয়ারেজ কেউই চাননি এই ফলাফল নিয়ে ম্যাচ শেষ হোক। ৬০তম মিনিটে মেসি মাঠে নামলে প্রাণ ফিরে পায় বার্সার সমর্থকরা, হয়তো খেলোয়াড়েরাও। কিন্তু মেসিও যেন খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না।

ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে ছন্দ ফিরে পায় বার্সেলোনা। ভালো সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়। ৮৮তম মিনিট, ম্যাচ প্রায় শেষ। তখন আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন বার্সাভক্তরা। তাদের প্রত্যাশা টিকিয়ে রেখেছেন সুয়ারেজ। তাঁকে মার্কে রাখতে পারেনি সেভিয়ার রক্ষণের খেলোয়াড়েরা। সুয়ারেজের শট সেভিয়ার গোলরক্ষককে ফাঁকি দিলে গোলে ব্যবধান কমে (১-২)। এরপর খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ৫৩ সেকেন্ড পর মেসির দুর্দান্ত শটের গোলে সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads