• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল

ফের বায়ার্নকে কাঁদাল রিয়াল

রোনালদোর রেকর্ড

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৭ এপ্রিল ২০১৮

২০১৩ সালে সবশেষ চ্যাম্পিয়নস লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর প্রতিটি মৌসুমে স্প্যানিশ দলগুলোর কাছে হারই যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালের পর গত বছরও রিয়াল মাদ্রিদের কাছে বাভারিয়ানদের হার। এবার দেখা সেমিফাইনালে। লক্ষ্য ছিল ২০১৩ সালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা। কিন্তু সেটা আর হলো কোথায়। এবারো বায়ার্নকে কাঁদাল স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল। বুধবার অ্যালিয়াঞ্জ এরেনায় প্রথম লেগের ম্যাচে বায়ার্নকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই জয়ে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালের পথে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।

ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে ব্যাপক দাপট দেখায় বায়ার্ন। শুরুতে লিডও নেয়। তবে গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়ালকে থামাতে পারেনি। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো রিয়ালের বিপক্ষে প্রথমে এগিয়ে গিয়ে থেকেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

ম্যাচের উভয়ার্ধে একটি করে গোল করে সফরকারীরা। বিরতিতে যাওয়ার আগে দলকে সমতায় ফেরান ডিফেন্ডার মার্সেলো। বিরতি থেকে ফিরে এসে দলের জয়সূচক গোল করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা অ্যাসেনসিও।

এই ম্যাচের আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১১ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েন রোনালদো। সেটি আর বজায় রাখতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের জালে একবার বল জড়ালেও সেটি বাতিল হয়ে যায়। তবুও একটি রেকর্ডের মালিক হলেন পর্তুগিজ উইঙ্গার। চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯৬টি জয়ের রেকর্ড গড়েন তিনি। এর আগে সর্বোচ্চ ৯৫ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ছিল ইকার ক্যাসিয়াসের। এদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম ক্লাব হিসেবে ১৫০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

এদিন ম্যাচের ৬০ শতাংশ বল দখলে রাখে বায়ার্ন। রিয়ালের চেয়ে প্রায় ২০০ বেশি পাস দেয়। ১২ বার আক্রমণ চালিয়ে মাত্র গোল পায় একটি। খেলা শুরুর প্রথম মিনিটেই সুযোগ সৃষ্টি করে বায়ার্ন। তবে লেভানডস্কির কাছ থেকে দুর্দান্ত একটি বল পেয়েও সেটি গোলে পরিণত করতে পারেননি থমাস মুলার।

খেলার ১০ মিনিট পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে আর্জেন রোবেনকে হারায় তারা। চোট নিয়ে মাঠ থেকে উঠে যান এই তারকা। ৩৪ মিনিটে বোয়েটেংকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন কোচ হেইঙ্কেস। তিনিও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন।

তবুও ম্যাচের ২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। রদ্রিগেজের কাছ থেকে বল পেয়ে রিয়াল গোলরক্ষক নাভাসকে পরাস্ত করেন কিমিচ। কিন্তু দুজন তারকা খেলোয়াড়কে হারিয়ে যেন দুর্বল হয়ে পড়ে বায়ার্ন। সুযোগটি কাজে লাগায় রিয়াল। খেলার ৪৪ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ডিফেন্ডার মার্সেলো অসাধারণ শটে গোল করেন। সমতায় ফেরে তারা।

খেলার ৫৬ মিনিটে লিড নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ভাসকুয়েজের বাড়িয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে দেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা অ্যাসেনসিও। ম্যাচের ৭০ মিনিটে রোনালদো একবার জালে বল জড়ান। কিন্তু তার আগে বল নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময় সেটি তার হাতে লেগে যায়। বায়ার্ন অনেক চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads