• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
স্পন্সর পেলেন এলিনা-শাপলা

সংগৃহীত ছবি

খেলা

স্পন্সর পেলেন এলিনা-শাপলা

  • স্পোর্টস রিপোর্টার
  • প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর ২০১৮

অবশেষে নেপালে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য স্পন্সর পেলেন দেশসেরা দুই মহিলা শাটলার এলিনা সুলতানা ও শাপলা আক্তার। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফেডারেশনের এক জরুরি সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এ দুই শাটলারকে স্পন্সর করছেন অপর এক শাটলারের মা। যিনি আসন্ন এ আসরে দলের ম্যানেজার হিসেবে নেপালে যাচ্ছেন।

আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে নেপালে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। সেখানে জুনিয়র ও সিনিয়র বিভাগে দল পাঠাবে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতা জাতীয় শাটলারদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল ফেডারেশন। যারা খেলতে ইচ্ছুক, নিজ খরচে যেতে হবে। ফেডারেশনের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শাটলাররা। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, যেখানে নিয়মিত দল পাঠাত বাংলাদেশ এবং এ আসর থেকে মহিলা একক ও মিশ্র দ্বৈত ইভেন্টে পদক পায় লাল-সবুজরা। গত আসরেও নেপাল থেকে মহিলা একক ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জপদক নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন বাংলাদেশের শাটলাররা। তার আগের বছর নারী একক ও মিশ্র দ্বৈত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ ছিল। এমন সম্ভাবনার একটি আসরে এবার দল পাঠানো নিয়ে ফেডারেশন গড়িমসি শুরু করে। জাতীয় দলের শাটলারদের জন্য আসরটি উন্মুক্ত করে দিয়ে খরচের ভার তুলে দেওয়া হয় তাদের কাঁধে।

ফেডারেশনের এমন সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সিনিয়র শাটলাররা। বিশেষ করে দুই শাটলার এলিনা ও শাপলা নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেডারেশনের সভাপতি বরাবর একটি চিঠিও পাঠান। সেখানে তারা স্পন্সর নিজেরা জোগাড় করে নেপালে খেলতে যাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ বিষয়ে র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বরে থাকা শাটলার শাপলা আক্তার বলেন, ‘আমরা নিজেরা বছরব্যাপী ঘরোয়া টুর্নামেন্টে নিজেদের খরচেই খেলে থাকি। এক একটি টুর্নামেন্টে আমাদের প্রায় সত্তর থেকে আশি হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। মনের টানেই ব্যাডমিন্টন খেলছি। এখানে প্রাপ্তি বলতে সম্মান। দেশের বাইরের এই একটি টুর্নামেন্টেই আমরা ভালো করে থাকি। অথচ এখানে নাকি আমাদের নিজ খরচে খেলতে যেতে হবে। ফেডারেশন আমাদের কতটা অসম্মান করলে এ ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারে! তাই আমি ও এলিনা বাধ্য হয়েই ফেডারেশনের সভাপতি বরাবর চিঠি দিয়েছি।

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাহার বলেন, ‘আমাদের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণেই এবার ফেডারেশনের পক্ষ থেকে স্পন্সর করা যাচ্ছে না। তাই আমরা শাটলারদের বলেছিলাম নিজ উদ্যোগেই স্পন্সর জোগাড় করতে। তবে শেষ মুহূর্তে এসে আমরা সিনিয়র দুই শাটলারের স্পন্সর পেয়েছি।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads