• সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
রোনালদোয় মান রক্ষা জুভেন্টাসের

দারুণ হেডে গোল করছেন জুভেন্টাসের রোনালদো

ছবি : ইন্টারনেট

ফুটবল

রোনালদোয় মান রক্ষা জুভেন্টাসের

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১২ এপ্রিল ২০১৯

ইনজুরি থেকে ফিরেই ফুটবল মাঠে আলো ছড়ালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রথমার্ধের শেষ দিকে হেডে দলকে নিলেন এগিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সমতায় ফিরল ম্যাচজুড়ে দারুণ খেলা আয়াক্স। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে স্বস্তির ড্র নিয়ে ফিরেছে জুভেন্টাস। জোহান ক্রুইফ অ্যারেনায় বুধবার রাতের ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। ফিরতি লেগে আগামী ১৬ এপ্রিল জুভেন্টাসের মাঠে মুখোমুখি হবে দুই দল। ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করলেও অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে সেমিফাইনালে উঠবে মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির দল জুভেন্টাস।

দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত ইতালির চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস। কিন্তু ফেদেরিকো বের্নারদেস্কির শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।

বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে জুভেন্টাসের রক্ষণে চাপ দিতে থাকে আয়াক্স। ৬ মিনিটে হাকিমের শট বাইরের জাল কাঁপায়। ১৮ মিনিটে মরক্কোর এই মিডফিল্ডারের বাঁকানো শট কর্নারের বিনিময়ে ফেরান ভয়চেখ স্ট্যাসনি। ৩৮ মিনিটে অ্যালেক্স সান্দ্রোর বাড়ানো বল রোনালদো ব্যাকহিল করার পর বের্নারদেস্কির শট পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে হতাশা বাড়ে জুভেন্টাসের। অবশেষে ৪৫ মিনিটে গোলের অপেক্ষার অবসান হয় সর্বশেষ ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা জুভেন্টাসের। ডান দিক থেকে জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো ক্রসে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন চোটের কারণে জুভেন্টাসের হয়ে গত পাঁচ ম্যাচ খেলতে না পারা রোনালদো।

প্রতিযোগিতায় টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জালের দেখা পেলেন রোনালদো। আসরে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের এটি পঞ্চম গোল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের রেকর্ড গোলদাতার মোট গোল হলো ১২৫টি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজেদের চতুর্থ এবং সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা আয়াক্স। বাঁদিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড দাভিদ নেরেস একাধিক ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে দারুণ শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল খুঁজে নেন। ৫৩ মিনিটে রদ্রিগো বেন্তাকুরকে ডি-বক্সের মধ্যে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ফাউল করলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করে জুভেন্টাস। কিন্তু রেফারির সাড়া মেলেনি।

সমতায় ফেরা আয়াক্স শুরুর মতোই জুভেন্টাসের রক্ষণে প্রচণ্ড চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সান্দ্রো-বোনুচ্চি-কানসেলোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিলেন না স্বাগতিক দলের ফরোয়ার্ডরা। আক্রমণভাগের শক্তি বাড়াতে ৭৪ মিনিটে মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদিকে তুলে নিয়ে ফরোয়ার্ড পাওলো দিবালাকে নামান জুভেন্টাস কোচ। ৮২ মিনিটে জুর্গেনের শট আটকে জুভেন্টাসের ত্রাতা স্ট্যাসনি। একটু পর গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকা ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে ডগলাস কস্তার নেওয়া শট দূরের পোস্টে লেগে ফিরলে বেঁচে যায় আয়াক্সও।

এ ড্রয়ে আয়াক্সের ওপর আধিপত্য ধরে রাখল ইতালির দলটি। ইউরোপের প্রতিযোগিতায় আগের নয়বারের দেখায় কখনো নেদারল্যান্ডসের দলটির কাছে হারেনি জুভেন্টাস। এর মধ্যে অবশ্য ১৯৯৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালও আছে। সেবার রোমে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষের পর টাইব্রেকারে জিতেছিল তুরিনের ক্লাবটি।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads