• মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬
ads
আবাহনীর ফাইনালে বাধা গোকুলাম

সংগৃহীত ছবি

ফুটবল

আবাহনীর ফাইনালে বাধা গোকুলাম

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৮ অক্টোবর ২০১৯

তৃতীয় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবলে গ্রুপ পর্বের মিশন শেষ হয়েছে। প্রথম টার্গেটও পূরণ হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীর। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে চলমান শেখ কামাল ফুটবলে স্বাগতিকরা ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে পা রেখেছে। যদিও শেষ গ্রুপ ম্যাচে তাদের কলকাতা মোহনবাগানের কাছে হারতে হয়েছে। তবে এই হার নিয়ে মোটেই বিচলিত নয় প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়নরা। এখন দলটির সব মনোযোগ সেমিফাইনাল ম্যাচ নিয়ে। আজ সোমবার এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭ টায় প্রথম সেমিফাইনালে মাঠে নামবে চট্টগ্রাম আবাহনী। তাদের প্রতিপক্ষ গোকুলাম কেরালা এফসি। আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টায় আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়বে টেরেঙ্গানু এফসি ও কলকাতা মোহনবাগান।

বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী দল বসুন্ধরা কিংস এবারের আসর থেকে বিদায় নিয়েছে। শনিবার রাতে সেমিফাইনালের লাইনআপ নিশ্চিত হয়। সেমিফাইনালে উঠতে দরকার ছিল জয় বসুন্ধরা কিংসের। এলোমেলো খেললেও শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল বসুন্ধরা। এরপর হাস্যকর ভুলে পেনাল্টি থেকে দুই গোল হজম করল দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে আরো দুই গোল খেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও পেরে ওঠেনি তারা। টেরেঙ্গানু এফসির কাছে হেরে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নরা। শনিবার ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ৪-২ গোলে হারে বসুন্ধরা। তিন ম্যাচে এক জয় ও দুই হারে তাদের পয়েন্ট ৩। প্রথম ম্যাচে আই লিগের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সিটি এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে গোকুলাম। গোকুলামের মতো দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সেরা চারে উঠেছে টেরেঙ্গানু। দুই দলের পয়েন্ট ও গোল পার্থক্য সমান হওয়ায় বেশি গোল দেওয়া টেরেঙ্গানু হয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।

প্রতিপক্ষ গোকুলামের বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটাই দিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাগতিক দলের কোচ মারুফুল হক। চলমান আসরে ‘বি’ গ্রুপের দলগুলোই তুলনামূলক বেশি শক্তিশালী। এ কারণে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই মিশনে মাঠে নামার আগে সর্বশেষ ম্যাচ হেরে গেছে আবাহনী। সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেরা একাদশের ছয়জনকে বাইরে রেখেছিলেন স্বাগতিক দলের কোচ। সেমির ম্যাচের আগে এটা কোনো প্রভাব ফেলবে কি না জানাতে চাইলে মারুফুল হক বলেন, ‘আমরা ওই ম্যাচটি নিয়ে আর ভাবতে চাচ্ছি না। আমাদের সব চিন্তা-ভাবনা এখন সেমিফাইনাল ঘিরে। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। হার ভুলে আমরা সেমিফাইনাল নিয়েই ভাবছি।’

শিরোপা পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে আবাহনী কোচ বলেন, ‘আমরা ট্রফি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই খেলছি। কিন্তু এই মুহূর্তে সব ভাবনা সেমিফাইনাল নিয়ে।’ মোহনবাগানের কাছে শেষ গ্রুপ ম্যাচে অচেনা একাদশ নামিয়ে হারতে হয়েছে আবাহনীকে। শেষ চার প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকরা মাঠে নেমেছিল অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া, চিনেদু ম্যাথিউসহ ছয় তারকাকে বেঞ্চে রেখেই। যে কারণে হারতে হয়েছে ম্যাচটি। তবে এই হারের পেছনে লুকিয়ে আছে একটি ভুল বার্তা অর্থাৎ ‘মেসেজ’। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে একটি মেসেজ পান কোচ মারুফ। মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির এক কর্মকর্তার কাছ থেকে। সেই মেসেজে জানানো হয়, সেমিতে যেতে হলে চট্টগ্রাম আবাহনীকে জিততেই হবে। কিন্তু কোচ মারুফুল নিশ্চিত ছিলেন হারলেও তারা সেমিতে যাচ্ছেন। কিন্তু সেই মেসেজ পাওয়ার দুশ্চিন্তা ভর করে চিটাগং শিবিরে। যে কারণে ৫৭ মিনিটে জয়ের জন্য অস্থির হয়ে কোচ মাঠে নামান মিডফিল্ডার ম্যাথিউকে। এর তিন মিনিট পরই গোল হজম করে তার দল। পরের মিনিটে মাঠে নামেন অধিনায়ক জামাল। তাতেও হার এড়াতে পারেনি তার দল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads