• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৭
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা

সংগৃহীত ছবি

ভ্রমণ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০১ এপ্রিল ২০২১

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসহ জেলার সব বিনোদনকেন্দ্র ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। তবে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খোলা থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসনের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খোলা থাকবে।  এই সিদ্ধান্ত আজ মধ্যরাত থেকে কার্যকর করা হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিন আল পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে। আজ থেকেই কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

এদিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম শিকদার বলেন, এখন কক্সবাজারে অন্তত ৩০-৪০ হাজার পর্যটক রয়েছেন। তারা কী করবেন বা তাদের প্রস্থানের বিষয় নিয়ে কাল জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।

এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পর আজ সন্ধ্যার পর থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের আনাগোনাসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পাওয়ার পরপরই ট্যুরিস্ট তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। এরপর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সৈকতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি সৈকতের বিনোদন ছাতা (কিটকট), বিচ-বাইক ও জেটস্কি সহ সব ধরনের পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

পাশাপাশি সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশের টহলও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ। তবে সরকারি নির্দেশনার আসার আগে বিকেল থেকেই সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে পর্যটকদের ফিরিয়ে দেওয়াসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল ট্যুরিস্ট পুলিশ।

এর আগে করোনা মহামারির কারণে গত বছর ১৮ মার্চ থেকে কক্সবাজারের সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। পরবর্তীতে গত বছর ১৭ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধিসহ নানা নির্দেশনা মানার শর্তে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads