• শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯
মৃতের সংখ্যা সংশোধন, সীতাকুণ্ডে প্রাণহানি ৪১

সংগৃহীত ছবি

দুর্ঘটনা

মৃতের সংখ্যা সংশোধন, সীতাকুণ্ডে প্রাণহানি ৪১

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৬ জুন ২০২২

সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের তথ্য সংশোধন করে নিহতের সংখ্যা ৪১ জনে নামিয়ে এনেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কিছু মরদেহ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে একবার গণনা করা হয়। আবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও সেগুলো গণনা করা হয়। তাতে সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হয়ে গিয়েছিল। পরে সব মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। তাই মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৪১।

এরপর আর কোনো মৃতদেহ উদ্ধার হলে তা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে বেসরকারি ওই কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। সেখানে থাকা রাসায়নিকের কন্টেইনারে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে আগুন ভয়ঙ্কর মাত্রা পায়। রোববার দিনভর চেষ্টা চালিয়েও তা নেভানো যায়নি পুরোপুরি।

ডিপোতে আগুনের দাপট কিছুটা কমলে রোববার সকাল থেকে একের পর এক লাশ বের করে আনতে থাকেন উদ্ধারকর্মীরা। দফায় দফায় বেড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৪১ এ পৌঁছায় বিকাল নাগাদ।

এদিকে বিএম কনটেইনার ডিপোতে এখনও নেভেনি আগুন। ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ও সেনাবাহিনীর একটি কোম্পানি আগুন নেভাতে কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময়েও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসার কারণ হিসেবে সেখানে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থ থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মনির হোসেন বলেন, ‘সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দলের সহায়তায় কনটেইনারগুলো খুলে আগুন নেভানোর কাজ চলছে। আমরা এভাবে কাজ করতে পারলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে আগুন নেভাতে পারব। ইতিমধ্যে আমরা কেমিক্যাল থাকা কয়েকটি কনটেইনার চিহ্নিত করেছি। সেগুলো অপসারণ করার প্রক্রিয়া চলছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন গার্মেন্টস আইটেমগুলো জ্বলছে। সেনাবাহিনীর লজিস্টিক ও এস্কেলেটর ব্যবহার করে আমরা একটা একটা করে কনটেইনার সরিয়ে আগুন নেভাব। সবগুলোতে একসঙ্গে পানি দিলে আগুন নিভবে না। কনটেইনার খুলে পানি দিতে হবে।’

আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করছে নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরাও।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads