• সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯

পণ্যবাজার

বেগুনের কেজি ১০০ টাকা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০১ এপ্রিল ২০২২

পবিত্র রমজান মাস আসলেই বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে এটা যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে বাংলাদেশে! এবছরও কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজি, মুরগি, চিনি ও পেঁয়াজের। সবজির মধ্যে লাফিয়ে বেড়েছে বেগুনের দাম।

আজ শুক্রবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যে বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে আজ তা বাজার এবং মান ভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজার মধ্যে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, ফুল কপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ৮০ টাকা, শসার কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, সাজনার কেজি ১৪০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা ও মটরশুটির কেজি ১২০ টাকা।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ থাকলেও রমজান মাস উপলক্ষে করে পাইকাররা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বেশি দামে সবজি কিনে আনছি তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ৮০ টাকা কেজি দরে। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গত সপ্তাহে লেবুর হালি ছিল ৩০ টাকা।

এ সব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি।

বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। দেশি আদার কেজি ৬০ টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

এসব বাজারে ভোজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। দুই কেজির তেলের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায়। বাজারে বেড়েছে চিনির দাম। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৪ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।

বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩০০ টাকা কেজি। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়।

গরুর মাংস গত সপ্তাহের মতো ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে মহল্লার গলির কিছু ব্যবসায়ী গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি করছেন।

বাজারে রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা।

এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads