• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮
মইয়ে উঠে সেতু পার

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

মইয়ে উঠে সেতু পার

  • ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২০ মে ২০২১

উপজেলার ধোপাখালী ও যদুনাথপুর ইউনিয়নের বংশাই নদীর ওপর সেতু আছে, সেতুর দুপাশের নেই সংযোগ সড়ক। তাই মই দিয়ে উঠে সেতু পার হতে হয়। সেতুর একপাশে ধোপাখালী, অন্য পাশে যদুনাথপুরের ইসলামপুর গ্রাম। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নানা খড়কুটা পুুড়িয়ে সেতুটি নিমার্ণের স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল এলাকাবাসীর। সেতুটি নির্মাণ হলেও দুপাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় গ্রামবাসীদের যাতায়াত করতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। যাতায়াতের জন্য কাঠের মই বেয়ে উঠে সেতুটি দিয়ে পার হতে হয়। মাটি থেকে প্রায় ৯/১০ ফুট উচ্চতায় সেতুটিতে মই লাগিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে মহিলা ও শিশুরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটিতে দুপাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের মই বেয়েই তারা মাথায় বা কাঁধে করে তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে যাচ্ছেন। তবে শুষ্ক মৌসুমে মই দিয়ে সেতুটিতে পারাপার করা গেলেও বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির প্রবল স্রোতের কারণে সেতুর দুপাশে পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। এ ইউনিয়ন দুটি মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। সেতটি নির্মাণ হলেও সুফল পাচ্ছেন না ধোপাখালী ও ইসলামপুর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পাঁচ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ হলে দুপাশের সংযোগ সড়ক না থাকায় আমরা অনেক অসুবিধায় আছি। ধোপাখালী ও যদুনাথপুর ইউনিয়ন দুটি কৃষি অঞ্চল। স্থানীয়দের প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত কৃষি পণ্য শাক-সবজি ও ধানসহ অন্যন্যা জাতের নানা ধরনের ফসল কৃষকেরা এ সেতুটি দিয়ে পার হয়ে ধোপাখালী বাজারে বিক্রি করতে আসেন। এতে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। এছাড়াও এ বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্য বেচাকেনা করে থাকেন আশপাশের ১০ গ্রামের লোকজন।

এ বিষয়ে ধোপাখালী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজহার আলী বলেন, আমি বিষয়টি বারবার ইউপি চেয়াম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি।

ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেন বলেন, আমরা সেতুটির সড়ক সংস্কারের ব্যাপারে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। যেন দ্রুত করা যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী জয়নাল আবেদীন সাগর বলেন, সেতুটি এডিপি নির্মাণ করেছে। এখন আপাতত কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ পেলে সড়ক নির্মাণ করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads