• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৭

সারা দেশ

ভোলায় করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম বন্ধ

  • অচিন্ত্য মজুমদার, ভোলা
  • প্রকাশিত ২৪ মে ২০২১

ভোলায় আজ থেকে করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। টিকা না পেয়ে উদ্বিগ্ন প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবার টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।

আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে শহরের সদর হাসপাতাল কেন্দ্রে উপস্থিত হন প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা। কিন্তু টিকা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাউকে সেখানে না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পরেন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহীতারা।

এসময় টিকা কেন্দ্রে আসা টিকাগৃহীতা সাইফুল ইসলাম, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ ইব্রাহীম ও লক্ষন সাহা জানান, তারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, কিন্তু দ্বিতীয় ডোজের সময় পার হয়ে গেলেও টিকার জন্য এসএমএস না পেয়ে কেন্দ্রে খোঁজ নিতে আসেন। এসে জানতে পারেন বরাদ্দকৃত টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় টিকা দান বন্ধ রয়েছে। এসময় যত দ্রুত সম্ভব টিকার দ্বিতীয় ডোজের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, রবিবার সদর হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা দেয়া হয়েছে। আজ সোমবার সরবরাহ না থাকায় টিকা দেয়া যায়নি। সরবরাহ পেলে আবার টিকা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় ৩ দফায় মোট ৯২ হাজার ২০০ ডোজ টিকা আসে। প্রথম দফায় ৬০ হাজার টিকা এসেছিলো, সেখান থেকে ফেরত দেয়া হয়েছিলো ১৫ হাজার ৭০০ ডোজ। এছাড়া দুই দফায় টিকা ওয়েষ্টেজ হয়েছে ৩ হাজার ৬০ ডোজ । সে হিসেবে এ পর্যন্ত জেলায় টিকা দেয়া হয়েছে ৭৩ হাজার ৪৪১ জনকে।

২য় দফা ভোলায় জন্য ৩২ হাজার ২০০ দ্বিতীয় ডোজ টিকা বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ৮ হাজার, টিকা দেয়া হয়েছে ৭ হাজার ১৪৫ ডোজ। দৌলতখান উপজেলার বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৬০০, টিকা দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ২০টি। বোরহানউদ্দিনে বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ৬০০, টিকা দেয়া হয়েছে ৫ হাজার ৩৩। তজুমদ্দিনে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৫০০, টিকা দেয়া হয়েছে ২ হাজার ৩৮৭। লালমোহনে বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ৫০০, দেয়া হয়েছে ৪ হাজার ৬১৩, চরফ্যাশনে বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার, টিকা দেয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৬ ও মনপুরায় বরাদ্দ ছিল ২ হাজার, টিকা দেয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৭০ ডোজ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার সাত উপজেলার ৭টি টিকা কেন্দ্রের মধ্য মনপুরা ও দৌলতখান বাদে বাকি ৫ টি উপজেলায় টিকা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।  ওই দুটি কেন্দ্রেও দুই এক দিনের মধ্যে টিকা শেষ হয়ে যাবে বলে জানায় সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র।

ভোলায় গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২৪ মে পর্যন্ত ২৮ হাজার ৬৪৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ হাজার ৭২১ জন পুরুষ ও ৮ হাজার ৯০৩ জন নারী টিকা নিয়েছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads