• শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯
আজো আঁতকে ওঠে স্বজনহারা মানুষ

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

আজো আঁতকে ওঠে স্বজনহারা মানুষ

  • অচিন্ত্য মজুমদার, ভোলা
  • প্রকাশিত ২৭ নভেম্বর ২০২১

আজ ২৭ নভেম্বর। ভোলার লালমোহনে কোকো-৪ লঞ্চ ট্র্যাজেডির ১২ বছর পূর্তি। ২০০৯ সালের এই দিনে ঈদের ঘরমুখো যাত্রী নিয়ে উপজেলার নাজিরপুর ঘাটের কাছাকাছি এসে ডুবে যায় লঞ্চটি। এতে প্রাণ হারায় ৮৩ যাত্রী। দিনটিকে স্মরণ করে আজও আঁঁতকে ওঠে স্বজনহারা মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা এখনও আতংক নিয়ে বিভিন্ন রুটে ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে।

জানা গেছে, ভোলা থেকে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম লঞ্চ। কিন্তু জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে একাধিক রুটে যাতায়াতকারী অধিকাংশ লঞ্চই আকারে ছোট, ত্রুটিপূর্ণ এবং অতিরিক্ত যাত্রি বোঝাইয়ের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাণ হারায় মানুষ।

২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঈদের ঘরমুখো যাত্রী নিয়ে কোকো-৪ লঞ্চটি ঢাকা থেকে লালমোহনের নাজিরপুর ঘাটে এসে রাত ১১টায় ডুবে যায়। যাত্রীরা হুরোহুরি করে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ৮৩ ব্যক্তির সলিল সমাধী ঘটে। এরমধ্যে লালমোহনে ৪৬ জন, চলফ্যাশনে ৩২ জন, তজুমদ্দিনে ২ ও দৌলতখানে ৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।

সেদিনের কথা স্মরণ করে আজও লালমোহনের মানুষ আঁঁতকে ওঠে। অনেকে সেই দুর্ঘটনার পর লঞ্চে যাতায়াত করতে ভয় পান। যাত্রীদের শত দাবি থাকা সত্বেও আজও ভোলায় সকল রুটে নিরাপদ নৌযান চালু হয়নি। শুধু কোকো-৪ নয়, এমভি নাসরিন, এমএল উপদ্বীপ এবং সামিয়া লঞ্চ দুর্ঘটনাসহ অনেকগুলো নৌদুর্ঘটনায় ভোলার শত শত মানুষের মৃত্যুর পরও পূরন হয়নি ভোলাবাসীর নিরাপদ নৌযানের দাবি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads