• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১১ জৈষ্ঠ ১৪২৮
সমতলে চা উৎপাদনে রেকর্ড

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

সমতলে চা উৎপাদনে রেকর্ড

  • শাহজাহান সোহেল, পঞ্চগড়
  • প্রকাশিত ২১ জানুয়ারি ২০২২

করোনাকালেও ২০২১ সালে উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে রেকর্ড পরিমাণ চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে। মহামারিতে সঠিক ব্যবস্থাপনার ফলে এর পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন কেজি; যা ২০২০ সালে ছিল ১০ দশমিক ৩০ মিলিয়ন কেজি। গত বুধবার রাতে বাংলাদেশ চা বোর্ড পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের নর্দান বাংলাদেশ প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শামীম আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ মোট ৯৬ দশমিক ৫০৬ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। যা গত বছরের ২০২০ সালের চেয়ে ১০ দশমিক ১১১ মিলিয়ন কেজি বেশি। যাতে করে ২০২১ সালে চায়ের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আশরাফুল ইসলাম বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ প্রদান, বাগান মালিক ও শ্রমিকদের নিরলস প্রচেষ্টা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, চা শ্রমিকদের মজুরি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২১ সালে দেশের চা উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলে চা চাষিদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলের মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে শুধু সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে ২০২১ সালে ২০২০ সালের তুলনায় ৪১ শতাংশ চা বেশি উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে দেশে ৮৬ দশমিক ৩৯৪ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল। এছাড়া ২০১৯ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৯৬ দশমিক ০৬৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads