• রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯
পাখির বাসা রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

পাখির বাসা রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

  • শহিদ জয়, যশোর
  • প্রকাশিত ২২ মে ২০২২

যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউরিয়নের চাউলিয়া দাসপাড়া গ্রামে পাখির বাসা তৈরি করে তা বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। পাখি প্রিয় মানুষ পাখি পোষার জন্য তৈরি হয় এসব পাখির বাসা। যশোরে বিভিন্ন রকমভাবে তৈরি এসব বাসা রপ্তানি হচ্ছে র্জামান, ফ্রান্স, ইতাল, বেলজিয়াম, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে। ওই গ্রামে প্রায় ৩০ রকম পাখির বাসা তৈরি হচ্ছে। এসব বাসা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি র্কমসংস্থান হচ্ছে এলাকার মানুষের।

সদর উপজলোর চাউলয়ি গ্রামের দাসপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন বাড়ির বারান্দায় বসে বৌঝিসহ নানা বয়সের নারী পুরুষরা পাখির বাসা বুনছে। পাখির বাসা তৈরি করছনে গৃহবধূ অঞ্জলী দাস। তিনি জানালনে, অর্ডার অনুযায়ী তারা পাখির বাসা তৈরি করেন। বাসা অনুযায়ী ১৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা দামে তারা বিক্রি করেন। বাড়ির মহিলরা সাধারণত এসব বাসা তৈরির কাজ করে থাকেন। এসব বাসা তৈরিতে তারা ব্যবহার করেন বাঁশ, বেত, পাট, নারকলেরে ছোবড়া, খড়, ছন, বিচালি, প্লাস্টিকের পাইপসহ সহজলভ্য বিভিন্ন উপকরণ।

পাখির বাসা তৈরির উদ্যোক্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস জানান, ৩৪ বছর আগে তিনি ফেরি করে যশোর শহরে ঝুড়ি বিক্রি করতেন। সে সময় আমেরিকা প্রবাসী বাবুল দুটি পাখির বাসার নমুনা দেখিয়ে বলেন, তৈরি করতে পারবেন কি না? তিনি রাজি হন। এরপর তিনি পাখির বাসা সরবরাহ শুরু করেন। এরপর পাখির বাসা তৈরি করে তিনি নিজে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হন। এখন ঢাকার ব্যবসায়ীদের দেওয়া নমুনা অনুযায়ী পাখির বাসা সরবরাহ করেন। এসব ব্যবসায়ী এগুলো বিদেশের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেন।

গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে কাজ নিয়ে পাখির বাসা তৈরি করেন চাউলিয়া গ্রামসহ আশপাশে কয়কেটি গ্রামরে ৩০টির মতো পরিবার। এতে দেড়শ মানুষের র্কমসংস্থান হয়ছে। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে বড় আকারে পাখির বাসা করার পরিকল্পনা করা যায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads