• শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯
ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

  • মো: মনোয়ার হোসেন রুবেল, ধামরাই (ঢাকা)
  • প্রকাশিত ২৯ জুন ২০২২

ঢাকার ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নের ডাউটিয়া এলাকার আরগাস মেটার লিমিটেড নামের ব্যাটারি কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকার ফলজ গাছ ও কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। এঘটনায় স্থানীয়রা সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর তিন গ্রাম থেকে তিনটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বুধবার সকালে সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদে এসে ডাউটিয়া এলাকার প্রায় শতাধিক লোকজন চেয়ারম্যানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০-১২ বছর পূর্বে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ডাউটিয়া গ্রামে আরগাস মেটাল লিমিটেড নামে একটি ব্যাটারি কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। যেটি বর্তমানে এলাকার পরিবেশের জন্য মারাত্বক হুমকি রুপে দেখা দিয়েছে। এই কারখানার কারণে মানুষের নানান রকম রোগ হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্ট সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এলাকায় ফলজ গাছের ফল অকালেই ঝড়ে যাচ্ছে। অন্যান্য ফসল ঠিক মতো হচ্ছে না।

ডাউটিয়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, প্রায় ১০/১২ বছর ধরে এই কারখানা চালু হয়েছে। এর কারণে আমাদের এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। প্রতিদিন এখানে কয়েক টন ব্যাটারীর শীশা পোড়ানো হয়। আর সেই শীশার কালো ধোঁয়াই পরিবেশকে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার লোকজনদের তাদের ভিটেমাটি ছেড়ে অন্য জাগায় গিয়ে থাকতে হবে। 

চড় ডাউটিয়া এলাকার মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, এই কারখানার কালো বিষাক্ত ধোঁয়া আমাদের পরিবেশটা নষ্ট করে দিচ্ছে। কয়েক বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন এসে এই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জাগায় টাকা পয়সা দিয়ে আবার চালু করেছে।

এ বিষয়ে আরগাস মেটার লিমিটেড ব্যাটারি কারখানার এডমিন ম্যানেজার মোঃ হালিম বলেন, আমাদের কারখানা অবৈধ না, সকল প্রকার কাগজপত্র আছে। সরকারি সকল নিয়ম মেনে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়েই আমাদের কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে এলাকাবাসীর কখনো কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। তারা কি কারণে অভিযোগ দিয়েছে তাও জানি না। 

এ বিষয়ে সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক মোহাম্মদ আওলাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তিন গ্রামের লোকজন তিনটি অভিযোগ দিয়েছে আমার কাছে, ঐ কারখানা দ্বারা গ্রামবাসীর ক্ষতি হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads