• বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

সারা দেশ

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে ব্যাহত হচ্ছে বোরো আবাদ

  • প্রকাশিত ২৫ জানুয়ারি ২০২৪


ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কিশোরগঞ্জে বোরো আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেড়ে উঠছে না রোপণ করা চারা। বিবর্ণ ও লালচে হয়ে যাচ্ছে চারাগুলো।

কনকনে শীত উপেক্ষা করে মাঠে পরিশ্রম করে গেলেও চারা রক্ষায় হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষককে। পরিস্থিতি উন্নতি না হলে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার শঙ্কা করছেন তারা।

নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের কৃষক জামিল উদ্দিন বলেন, আবহাওয়া এমন থাকলে কীভাবে ফসল ফলাবো, আর কীভাবে দেনার টাকা পরিশোধ করব।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার ১৩টি উপজেলার সবগুলোতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। তবে, হাওর অঞ্চলে বেশি। সেখানের কৃষকরা এই একটি ফসলের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিবছর আগাম বন্যার হুমকি মোকাবেলা করেন তারা। এবার মৌসুমের শুরুতেই ঘন কুয়াশা ও শীতের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি।

কারপাশা ইউনিয়নের কৃষক আহসান উল্লাহ বলেন, আমরার ফেড (পেট) তো চালান লাগবো, এল্লিগা (এজন্য) ঠাণ্ডার মইদ‌্যেও হানি (পানি) আতান (ধরতে) লাগে। কিন্তু ঠাণ্ডার মইদ‌্যো কাম করতেও তো অনেক সমস্যা, দশ মিনিট কাম করলে আধঘণ্টা আগুন তাফান (পোহানো) লাগে। অহন কইন কেমন কৃষক বাঁচবো? এমুন জমের ঠাণ্ডা বাপ-দাদার আমলেও দেখছি না।

কৃষি বিভাগ বলছে, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে চারা আক্রান্ত হয় কোল্ড ইনজুরিতে। নিকলী আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত কয়েকদিন জেলার তাপমাত্রা ছিল ৮.৫ থেকে ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে।

কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ মতো পরিচর্যা করলে চারার ক্ষতি অনেকটা কমবে। আর পরিস্থিতি উন্নতি হলে ফলনের লক্ষ্যমাত্রাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ১০০ হেক্টর। এর মধ্যে, ১ লাখ ৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমি হাওরের।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads