• বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯
‘রাসেল বা পোলার্ড হওয়া সহজ নয়’

ফাইল ছবি

ক্রিকেট

‘রাসেল বা পোলার্ড হওয়া সহজ নয়’

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৭ জুলাই ২০২২

ওয়ানডে ছাড়া কোনো ফরম্যাটেই সুবিধা করতে পারছে না বাংলাদেশ দল। টেস্টে মাঝে-মাঝে সফলতা মিলছে, কিছু ম্যাচ হারলেও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে টাইগাররা। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সফলতার খাতা শূন্য পড়ে থাকছে। চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ায় বসবে কুড়ি ওভারের ফরম্যাটের আরেকটি বিশ্বকাপ। তার আগে ব্যর্থতার হিসেব করতেই দিন পার হচ্ছে। এই ব্যর্থতার কারণ হিসেবে উঠে আসছে দলে যোগ্য পাওয়ার হিটিং ব্যাটসম্যানের অভাব।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কাছে আন্দ্রে রাসেল বা কাইরন পোলার্ডের মতো পাওয়ার হিটিং আশা করা বোকামি।

জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে গতকাল মঙ্গলবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে মেহেদী বলেন, আমরা বাংলাদেশি, আমরা কেউই পাওয়ার হিটার না। আমরা চাইলে আন্দ্রে রাসেল বা পোলার্ড হতে পারব না। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যেটুকু আছে তা দিয়ে যতটা উন্নতি করা যায়।

দলে একজন জুতসই পাওয়ার হিটিং কোচ প্রয়োজন বলে মনে করেন মেহেদী। তবে এও জানিয়ে রাখলেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পাওয়ার হিটিংয়ের যে স্কিল আছে সেটি কোচ নিয়োগ দিয়েও খুব বেশি বাড়ানো সম্ভব নয়। এটা এদেশের ক্রিকেটারদের জন্মগত রোগ, রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

মেহেদীর ব্যাখ্যা, পাওয়ার হিটিং কোচের দরকার। তবে আপনার যে স্কিল আছে, একে কোচ হয়ত ১০ শতাংশ এগিয়ে দিবে। কিন্তু ৩০ শতাংশকে ১০০ শতাংশকে পৌঁছে দিতে পারবে না। আমরা জন্মগতভাবেই এরকম। রাতারাতি পরিবর্তন করা মনে হয় না সম্ভব।

সঙ্গে যোগ করেন মেহেদী, আমরা প্রায় ১৫ বছরের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছি। হলে আরো আগেই হয়ে যেত। যেহেতু হচ্ছে না, আমাদের এটা নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। পাওয়ার হিটিংয়ের কথা সবসময়ই আসে। কিন্তু এটা ঠিক না। আমাদের সামর্থ্যের বাইরে চাইলেও করতে পারবে না। এটা আপনাদের সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে।

তবে দলের যে শক্তি, তা নিয়েই অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে ভালো করা সম্ভব বলে মনে করছেন মেহেদী। তিনি বললেন, অবশ্যই। সম্ভব না কেন? টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচটা ভালো বোলার লাগে। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের দলে বোলার আছে। যে ৭০ শতাংশ সামর্থ্য আছে ব্যাটাররা যদি এটাকে ৯০ শতাংশ করে দিতে পারত, হয়ত ফলাফল আরো পক্ষে আসতো। বিশ্বকাপে বাজে ম্যাচ কম হয়েছে। ক্লোজ ম্যাচ ছিল, ছিটকে গেছি। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকে। বোলার সবসময়ই ভালো আছে।

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads