• শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯
মুরাদের পরিণতি অন্যদের জন্য শিক্ষণীয়

সংগৃহীত ছবি

মুক্তমত

মুরাদের পরিণতি অন্যদের জন্য শিক্ষণীয়

  • মহিউদ্দিন খান মোহন
  • প্রকাশিত ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

ক্ষমতার দম্ভে ধরাকে সরা জ্ঞান করলে তাদের পরিণতি যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সদ্য মন্ত্রিত্ব হারানো ডা. মুরাদ হাসান তার সর্বশেষ উদাহরণ। চরম বিতর্কিত আচরণের কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করার পর দেশত্যাগের অভিপ্রায়ে বিমানে চড়েছিলেন কানাডায় পাড়ি জমানোর উদ্দেশে। কিন্তু সেখানে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। টরোন্টো বিমানবন্দরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে তুলে দেওয়া হয় দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে। দুবাইতেও ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন ডা. মুরাদ হাসান। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হয়েছেন। অবশেষে তিন দিনের আকাশ ভ্রমণ শেষে ফিরে এসেছেন জন্মভূমি বাংলাদেশে। তবে বিমানবন্দর থেকে মুখ ঢেকে সবার অজ্ঞাতসারে সটকে পড়েছেন। মূলত মিডিয়ার মুখোমুখি হতে না চাওয়াই তার এ তস্করের মতো বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মূল কারণ। যে ব্যক্তিটি একদিন মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সুতীব্র আকাঙ্ক্ষায় নানা উদ্ভট কথা বলে সবার দৃষ্টি আকর্ষণে তৎপর থাকতেন, সেই ব্যক্তিকেই আবার মিডিয়াকে এড়ানোর কৌশল খুঁজে হন্যে হতে হয়। সময়ের ফের বুঝি একেই বলে। মাথার ওপর থেকে ছায়াবৃক্ষ সরে গেলে অনেকেরই মর্দামি খতম হয়ে যায়। মুরাদ হাসান এর জ্বলন্ত উদাহরণও বটে।

‘অহংকার পতনের মূল’ একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ। অহংকার যে মানুষের পতনকে অবধারিত করে তোলে তার অনেক নজির পৃথিবীতে আছে। অনেক বড় বড় রথী-মহারথী, যারা ক্ষমতা বা অর্থের দম্ভে যা খুশি বলেন বা করেন, একদিন তাদের সে দম্ভের ইতি ঘটে। যে ব্যক্তিটি নিজেকে সব রকম আইন-কানুন, বিচার-আচারের ঊর্ধ্বে ভেবে মানুষকে মানুষ মনে করেন না, ক্ষমতার প্রাসাদ তাকে সুরক্ষা দেবে ভেবে অবিচার-ব্যভিচারে লিপ্ত হন, এমন একদিন আসে, প্রচণ্ড এক ঘূর্ণিঝড় সবকিছু ওলটপালট করে দেয়। বাংলায় প্রচলিত আরেকটি প্রবাদ ‘পাপ বাপকে ছাড় না’। জ্ঞানীরা বলে গেছেন, যখন কারো পাপের ভাড়া কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়, তখন সে এমন সব কথা বলতে থাকে বা কাজ করে, যা তাকে দ্রুত ধাবিত করে পতনের দিকে।

সদ্য পদত্যাগী তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের কথাবার্তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, সভ্যতা-ভব্যতা বিবর্জিত একজন কদর্য মানুষের প্রতিচ্ছবিই তার কথা ও আচরণে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। ভাবতে অবাক লাগে এই ব্যক্তিটি একজন চিকিৎসক। একটি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জনকারী একজন লোক যে এত জঘন্য মনোবৃত্তির হতে পারে, তা কারো ধারণায় ছিল বলে মনে হয় না। এই মুরাদ হাসানের উঠে আসার যে কাহিনি আমরা গণমাধ্যম মারফত অবগত হয়েছি, তাতে দেখা যায়, তিনি জামালপুরের একজন নিষ্ঠাবান রাজনীতিকের সন্তান, যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। বোঝা যায় সেই মতিউর রহমান তালুকদারের ছেলে হিসেবেই তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য  হয়েছিলেন। যদিও নব্বই দশকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা বনে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভোল পাল্টে হয়ে যান ছাত্রলীগ নেতা এবং কলেজ শাখার সভাপতি। পিতৃপরিচয়ের সুবাদেই ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর আবার ২০১৮ সালের নির্বাচনে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর ঠাঁই পান মন্ত্রিসভায়। প্রথমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে খটমট লাগায় তাকে সরিয়ে দেওয়া হয় সেখান থেকে। নিয়োগ দেওয়া হয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী পদে। মুরাদ হাসান নামে যে একজন প্রতিমন্ত্রী আমাদের সরকারে আছে এ কথা অনেকেই জানতেন না। তবে শোনা যায় বড় বেশি মিডিয়াক্রেজি ছিলেন তিনি। তার আকাঙ্ক্ষা ছিল শুধু দেশ নয়, পৃথিবীজুড়ে মানুষ তার নাম জানবে, তাকে চিনবে। তার সে আশা শেষ পর্যন্ত পূর্ণ হয়েছে। তবে সুনামের সঙ্গে নয়, কলঙ্কিত নজির স্থাপনের মাধ্যমে। এখন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ জানে ডা. মুরাদ হাসানের নাম। শুধু বাংলাদেশ নয়, বহির্বিশ্বেও তিনি এখন একজন পরিচিত ‘ব্যক্তি’। তবে সে পরিচয় কোনো গৌরব বহন করছে না। তার পরিচিতি এখন একজন নষ্ট-ভ্রষ্ট, বিকৃত রুচির নিম্নস্তরের মানুষ হিসেবে। একজন অসভ্য, যৌন উন্মাদ হিসেবে। ভাবা যায়! মন্ত্রীর আসনে বসে একজন লোক দেশের একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করে তারকা হোটেলে যেতে বলে! শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী যদি স্বেচ্ছায় তার বাহুডোরে ধরা না দেন, তাহলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে তাকে তুলে নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। নৈতিক চরিত্রের কতটা অধঃপতন হলে একজন প্রতিমন্ত্রী এমন ঘৃণ্য লালসা চরিতার্থ করার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে ওঠেন তা অনুমান করা কষ্টকর নয়। তার রুচি বিকৃতি কতটা নিম্নস্তরে নেমেছিল, নিজের মেয়ের বয়সি জাইমা রহমানের চরিত্র নিয়ে উদ্ভট, অসংলগ্ন কথা বলতেও দ্বিধা করেননি! জাইমার অপরাধ সে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে। শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই মুরাদ একট বাচ্চা মেয়ের গায়ে কালিমা লেপনের অপচেষ্টায় মেতেছিলেন। কী জঘন্য মনোবৃত্তি! জাইমা সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার কারণে তার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি মামলার আবেদন করা হয়েছে।

অধুনা একটি কথা সামাজিক মাধ্যমে বেশ প্রচলিত হয়েছে-‘অমানুষগুলো দেখতে ঠিক মানুষের মতো।’ আমরা এই ছাঁচে ফেলে মুরাদ হাসানের চরিত্র বিশ্লেষণ করতে পারি। আর সেজন্যই সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান তাকে ‘একজন যৌনবিকৃত অমানুষ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। (বাংলদেশ প্রতিদিন ০৮ ডিসেম্বর, ২০২১)।

প্রশ্ন ওঠা স্বভাবিক, এইসব মুরাদ হাসান রাজনীতিতে এতটা ওপরে উঠে আসে কীভাবে? কে বা কারা তাকে আশকারা দিয়ে ব্যাঙকে হাতিসম করে তুলেছিল। দ্বিতীয়ত মুরাদ হাসান অনেক আগেই মন্ত্রিত্ব হারানোর অপরাধ করেছিলেন। কিন্তু তখন তার গায়ে ফুলের টোকাটিও পড়েনি। সবারই স্মরণ থাকার কথা, গত অক্টোবর মাসে ডা. মুরাদ হাসান রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। তার ওই মন্তব্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল দেশব্যাপী। অনেকেই তার ওই মন্তব্যকে সংবিধানের অবমাননা, তথা রাষ্ট্রদ্রোহ বলে আখ্যায়িত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। সে সময় আমি এই কলামে লিখেছিলাম, ‘তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান যে ভাষায় এবং দেহভঙ্গিতে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন, দেশবাসী তা একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি। তারা এটাকে ‘বারোহাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি’ প্রবাদতুল্য মনে করছেন। কারণ তারা মনে করেন, সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নীতি বহাল রেখে বিজ্ঞজনোচিত কাজই করেছেন, যদিও এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনো ভাষ্য এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করার জন্য সরকার এবং আওয়ামী লীগের অবস্থান অবিলম্বে পরিষ্কার করা উচিত।’ (বাংলাদেশের খবর, ২৪ অক্টোবর, ২০২১)।

না, সেদিন সরকার বা আওয়ামী লীগের পক্ষ থকে মুরাদের বক্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা দেশবাসী জানতে পারেনি। বরং অবস্থা অনেকটা ছিল—দেখেও না দেখার, শুনেও না শোনার। মূলত দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলামানদের হূদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেও দল বা সরকার থেকে কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি না হওয়ায় তার সাহস বেড়ে গিয়েছিল। অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হয়ে প্রকাশ্য জনসভায় দম্ভের সাথে বিএনপি-জামায়াতকে পেটানোর কথা বলে বাহ্বা কুড়াতে চেয়েছিলেন, যা কোনো রাজনীতিকের ভাষা হতে পারে না। পাড়ার গুন্ডা-মাস্তানরা এ ভাষায় কথা বলে। তারাই সাধারণত কাউকে পেটানোর কথা প্রচার করে নিজেকে ‘টপ রংবাজ’ বলে জাহির করতে চায়। দুঃখজনক হলেও সত্যি, মুরাদ হাসানের অভিভাবকরা তখনো তাকে সামলানোর চেষ্টা করেননি। যদি করতেন তাহলে আজকের দিনটি হয়তোবা আসত না।

কথায় আছে-‘বেশি বাড় বেড়ো না, ঝড়ে পড়ে যাবে।’ মুরাদ হাসানের ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছে। তার বাড়বাড়ন্তের চূড়ান্ত হওয়ার পরই ঝড়টা এসেছে। তার সব অ-কথা কু-কথা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সরকারের টনক নড়ে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। তিনি গত ৬ ডিসেম্বর নির্দেশ দেন পরদিন ৭ ডিসেম্বর সকালের মধ্যে ডা. মুরাদ হাসানকে পদত্যাগ করতে। পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, মুরাদ তখন বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এক পাঁচ তারকা হোটেলের ডাবল বেড কামরায় অবকাশ যাপনে ছিলেন। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের খবর জানতে পারেন। এরপর ওই রাত দুইটার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরদিন সকালে মুরাদ হাসান তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন কেবিনেট ডিভিশনে। খবরে বলা হয়েছে, মন্ত্রিত্ব খোয়ানোর পর জামালপুর জেলা, সরিষাবড়ী উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এখন তার সংসদ সদস্য পদ যায় যায় করছে। চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে তাকে জাতীয় সংসদ থেকে বহিষ্কারের দাবিও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

এদিকে সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে মুরাদের পদত্যাগের খবরে তার নির্বাচনি এলাকা জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেছেন। রাজনীতির কী অপার মহিমা! এই কদিন আগে যারা তার নামে জিন্দাবাদ দিয়েছে, আজ তারাই মুখর হয়েছে নিন্দাবাদে। অপরিনামদর্শী, অর্বাচীনদের পরিণতি এ রকমই হয়। রাজনীতিতে অনেকেই আসেন; কিন্তু সবাই রাজনীতিক হতে পারেন না, রাজনীতিবিদ হওয়া তো দূরের কথা। মুরাদ হাসানের মতো ব্যক্তিরা জোয়ারের খলসে-পুঁটির মতো অনুকূল পরিবেশে কদিন খুব লাফালাফি করে; কিন্তু যখন ভাটা শুরু হয়, তাদের আর কোনো পাত্তা থাকে না।

বিশিষ্ট দার্শনিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ হজরত ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেছেন, ‘মানবজীবনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে তার মুখের ভাষাকে আয়ত্তে রাখতে সমর্থ হওয়া।’ তার এ বাণীর যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। সে সাথে চরিত্র ঠিক রাখাও মানুষের এক কঠিন সাধনা। ছেলেবেলায় একটি উপদেশবাণী পড়েছিলাম-‘যদি অর্থ নষ্ট হয়, তায় কী আসে যায়?/ যদি স্বাস্থ্য নষ্ট হয়, তাতে কিছু হয় ক্ষয়?/ হইলে চরিত্র নাশ, সর্বনাশ হয়।’ কবিতাংশটি ইংরেজি ‘মানি লস্ট, নাথিং লস্ট, হেলথ লস্ট, সামথিং লস্ট, বাট ক্যারেক্টার ইজ লস্ট, এভরি থিং ইজ লস্ট’-এর বাংলা অনুবাদ। মুরাদ হাসানের বেলায় ইমাম গাজ্জালির বাণী এবং ওই কবিতাংশ দুটোই প্রযোজ্য। তিনি না পেরেছেন তারা মুখের ভাষাকে আয়ত্তে রাখতে, না পেরেছেন চরিত্র রক্ষা করতে। আর তাই আজ তাকে রাজনীতির মঞ্চ থেকে শুধু বিষাদমাখা বিদায়ই নিতে হয়নি, পৃথিবীর কোথাও একটু আশ্রয় পর্যন্ত মিলছে না। মুরাদ হাসানের এই পরিণতি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনীতিকদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় হয়েও থাকল।

 

লেখক : সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads