• শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯
ফুসফুসের অতিরিক্ত যত্ন নিন

প্রতীকী ছবি

স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস

ফুসফুসের অতিরিক্ত যত্ন নিন

  • এস এম মুকুল
  • প্রকাশিত ০৯ এপ্রিল ২০২১

ফুসফুসের প্রতি যত্নশীল হোন। কিছু অভ্যাস ও যোগাভ্যাসই চাবিকাঠি। একথা বললেন ইন্ডিয়ান যোগ অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ দপ্তরের সেক্রেটারি ডা. অভিজিৎ ঘোষ। কোমরবিডিটি আর কোভিডের সম্পর্ক যে নিবিড় তা এখন সবার জানা। তাই এই রোগীরা বেশি সতর্ক, অন্যদিকে আতঙ্কিতও বেশি। আসলে করোনাভাইরাস সর্বপ্রথম আঘাত হানছে গলায়, তারপর সেখান থেকে হার্ট, ফুসফুসে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে চিকিৎসকের এক অংশের দাবি, শুধু হার্ট বা ফুসফুসের সমস্যা রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রেই নয়, কোভিড-১৯ আক্রান্ত সাধারণ মানুষের ফুসফুসে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাই সবার ক্ষেত্রেই ফুসফুস ও হার্ট খুব শক্তিশালী রাখা জরুরি। তার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় কী, জানেন? শুধু প্রয়োজন নিয়মিত ব্যায়াম ও কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস রপ্ত করা।

ধীরে ধীরে ঠোঁট বন্ধ রেখে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে হবে। ১ থেকে ৫ গুনে তারপর নাক বন্ধ করে ঠোঁট দিয়ে ফুঁ দেওয়ার মতো করে নিঃশ্বাস ছাড়ুন। একইভাবে নাক বন্ধ রেখে ফুঁ দেওয়ার মতো করে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ১ থেকে ৫ গুনে শ্বাস আটকে রেখে নাক দিয়ে ছাড়তে হবে। এভাবে দিনে দুবার, ১০ বার করে অভ্যাস করলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম থাকে।

- ভুজঙ্গাসন করা যেতে পারে তবে এই আসনটি করার সময় শ্বাস ছাড়া ও নেওয়ার প্রক্রিয়াটি ঠিকমতো মানলে তবেই তা ফুসফুসের জন্য উপকারী। এছাড়া কিছু পরিচিত প্রাণায়াম যেমন কপালভাতি, অনুলোম-বিলোম, ভ্রমরী, ভ্রস্ত্রিকা এবং ও চ্যান্টিং নিয়মিত করলে অবশ্যই উপকার পাওয়া যাবে।

প্রতিদিন হাঁটলেও ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকবে। পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। ফুসফুস ভালো রাখতে বেলুন ফোলানো যেতে পারে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস দ্বারা ফুসফুসের কার্যকারিতা ঠিক রাখা সম্ভব।

সপ্তাহে এক-দুদিন দমন ধৌতি করা যেতে পারে। সকালে খালি পেটে ঈষৎ উষ্ণ গরম জলে এক চামচ লবণ দিয়ে পেট ভরে পান করুন। এরপর গলায় আঙুল দিয়ে বমি করুন। এটি পেট পরিষ্কার করার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসকেও শোধন করে। এটা করার পরে দশ মিনিট শবাসন করতে হবে।

নিঃশ্বাস ছেড়ে মেরুদণ্ডকে উপরের দিকে গোলাকৃতি করতে হবে এবং পেট চেপে ধরে পেট দিয়ে মেরুদণ্ডকে উঁচু করতে হবে। থুতনিকে বুকের কাছে আনতে হবে এবং ঘাড়কে রিল্যাক্স করতে হবে। এরপর নিঃশ্বাস নিতে নিতে পেট রিল্যাক্স করে পিঠকে ধনুকাকৃতি করতে হবে। দাঁড়িয়ে সামনে দুটি হাত জোড়া করে নিঃশ্বাস নেওয়ার সঙ্গে হাত দুটিকে মেলে দিতে হবে। আবার নিঃশ্বাস ছাড়ার সঙ্গে হাত দুটিকে জোড়া করতে হবে।

একটি চেয়ার নিয়ে তার সামনে মাটিতে বসে পা ছড়িয়ে দিন যেন চেয়ারের নিচে পা ছড়াতে পারেন এবং হাত দুটি চেয়ারের বসার জায়গায় রাখুন। এবার শ্বাস নিতে নিতে মাথা পেছনের দিকে হেলাতে হবে এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে মাথা সামনের দিকে নিয়ে আসতে হবে। মাথা সামনের দিকে আনার সময় মুখে ‘আ’ আওয়াজ করতে থাকতে হবে। আর থুতনি কলার বোনের কাছে আসবে। এভাবে অন্তত ৫-৬ রাউন্ড করতে হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ফুসফুস

সাধারণত ফুসফুস কতটা সুস্থ রয়েছে তা নির্ভর করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসেবে বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতার ওপর। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের বাতাস ধারণক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে একে সুস্থ রাখতে পারলেই অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এ কারণে ফুসফুস সুস্থ রাখতে নিয়মিত ফুসফুসের যত্ন নেওয়া জরুরি। বয়স ৪০ পার হলেই এ বিষয়ে অধিক মনোযোগ দিতে হবে। আর যাদের বয়স এখনো ৪০ হয়নি, তাদের উচিত আগে থেকেই ফুসফুসের যত্ন নেওয়া। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রয়েছে নানা রকম ব্যায়াম, বিশেষ করে কিছু কার্ডিও এক্সারসাইজ। সঙ্গে অবশ্যই শ্বাসের কিছু ব্যায়াম, নিজের ওঠাবসার প্রতি খেয়াল রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা ফুসফুসের যত্নের জন্য জরুরি। ফুসফুসের অ্যালভিওলাই যত শক্তিশালী হবে ও ফুসফুসের পেশিগুলো যত মজবুত হবে, ততই তার বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়বে।

কার্ডিও এক্সারসাইজ : সাইক্লিং, রোয়িং, ট্রেডমিল এসব কার্ডিও এক্সারসাইজ ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খুব উপযোগী। তবে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা অভ্যাস করা উচিত নয়, বরং মাঝে মাঝে কিছুটা বিরাম নিয়ে এ ধরনের ব্যায়াম রপ্ত করতে পারলে তা ফুসফুসকে মজবুত করে।

হংকং হসপিটাল অথরিটির (এইচকেএইচকে) ইনফেকশাস ডিজিজ সেন্টারের একদল চিকিৎসক জানান, এই ভাইরাসের থাবা থেকে মুক্তি পেলেও ফুসফুসের সমস্যা আক্রান্তদের আজীবন সঙ্গী হয়ে থাকে। করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তারা একথা জানিয়েছেন। দেখা গেছে, সুস্থ হওয়া কারো কারো ফুসফুসের কর্মক্ষমতা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমে গেছে। তাই অল্প পরিশ্রমেই তাদের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। অবশ্য এখনো এ বিষয়ে খুব বেশি তথ্য জানা যায়নি। কারণ, আক্রান্তদের একটা বড় অংশকেই এখন পর্যন্ত এই সমীক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। চীনের একটি মেডিকেল জার্নালের ডিজিটাল সংস্করণে প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, ধূমপায়ীরা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে তাদের নিউমোনিয়ার ঝুঁকি একজন অধূমপায়ীর থেকে ১৪ শতাংশ বেশি। আসলে মানুষের শ্বাসনালি ও ফুসফুসে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম চুলের মতো অনেক সিলিয়া থাকে। এদের কাজ- শ্বাসনালি ও ফুসফুসের ধূলিকণা, মিউকাস বা শ্লেষ্মাসহ সব বাধা সরিয়ে দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করা। কিন্তু ধূমপায়ীদের এই সিলিয়াগুলো কার্যত অকেজো হয়ে যায়। সে কারণে ফুসফুসের যুদ্ধ করার ক্ষমতা কমে যায়। অনেকে সিগারেটের বদলে ই-সিগারেট পান করেন। ভেপিংয়ের ফলেও ফুসফুস ও শ্বাসনালি একই রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দীর্ঘমেয়াদে বিকল হতে পারে ফুসফুস

করোনাভাইরাসে যারা বেশি অসুস্থ হচ্ছেন, তাদের ফুসফুসের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ার লক্ষণ দেখছেন চিকিৎসকরা। ব্রিটেনে কোভিড-১৯-এ গুরুতর আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছে, এমন হাজার হাজার মানুষকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, তাদের ফুসফুস চিরকালের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি-না তা পরীক্ষা করার জন্য। ব্রিটেনে চিকিৎসকরা বিবিসিকে বলেছেন, যারা করোনাভাইরাসে গুরুতর আক্রান্ত হয়েছিলেন, তারা আশংকা করছেন, তাদের একটা বড় অংশের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে, যাকে বলা হয় পালমোনারি ফাইব্রোসিস। ফুসফুসের এই ক্ষতি থেকে সেরে ওঠা যায় না এবং এর উপসর্গগুলো হলো মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং ক্লান্তিবোধ। ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অধীনে সেরে ওঠা রোগীদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার ও পুনর্বাসনের জন্য কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

করোনাভাইরাস এড়াতে যেসব বিষয় মেনে চলা উচিত

বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়া।

ধূমপান, মদ্যপানের মতো নেশা ছেড়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা। খাওয়ার আগে ভালো করে হাত সাবান দিয়ে ধুতে হবে। অকারণে মুখে-নাকে-চোখে হাত না দেওয়া। হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা বা সর্দি-জ্বর হলে অবশ্যই আলাদা থাকা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। ভিটামিন-এ জীবাণুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। তবে ট্যাবলেট ক্যাপসুল নয়, খাবারে থাকা ভিটামিনই ভালো। ভিটামিন-এ পাওয়া যায় গাজর, কমলালেবু, টমেটো, ডিমের কুসুম, পালংশাক, রাঙা আলু, ব্রোকলিসহ নানা টাটকা ফল ও সবজিতে।

ভিটামিন-ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়ম করে একটু রোদে ঘোরাঘুরি করলে চলবে। সঙ্গে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার, মাশরুম, ডিম খেতে হবে।

আমলকিসহ সব ধরনের লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অসুখ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। অযথা ভয় পাবেন না।

ফুসফুসের যত্নে যেসব খাবার খাবেন

আমেরিকান লাং অ্যাসোসিয়েশনের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। কারণ কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার পরিপাকের সময় বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে এবং উপকারী ফ্যাট জাতীয় খাবার পরিপাকের সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড কম পরিমাণে তৈরি করে। ফলে সুস্থ থাকে ফুসফুস।

পানি : ফুসফুসের স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার বা তার বেশি পানি পান করুন। এতে ফুসফুসের রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং শ্লেষ্মা পাতলা থাকে। ফলে দূষিত পদার্থ ও জীবাণু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বের করে দিতে সুবিধা হয়।

গ্রিন টি : গ্রিন টি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি পানীয়। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ফুসফুসের প্রদাহ কমায় ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। ২০১৭ সালের এক গবেষণার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোরিয়ার এক হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন দুই কাপ করে গ্রিন টি পান করতেন। অন্যদের তুলনায় সেই এক হাজার জনের ফুসফুসের কার্যকারিতা অনেক ভালো ছিল। তাই রোজ দুই কাপ করে গ্রিন টি পান করুন।

মাছ : গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্যাটি এসিডযুক্ত সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের কার্যক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়িয়ে তোলে। ম্যাকারেল, ট্রাউট, হেরিংয়ের মতো মাছ সিওপিডি রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার স্কুল অব মেডিসিন অ্যান্ড ডেন্টিস্ট্রির গবেষকদের মতে, মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ফুসফুসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন পাতে মাছ রাখুন।

কাঁচা হলুদ : হাজারেরও বেশি বছর ধরে এশিয়ায় হলুদের ব্যবহার শুধু মশলা হিসেবেই নয়, ঔষধি হিসেবেও ব্যবহূত হয়ে আসছে। হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কারকিউমিন ফুসফুসকে দূষিত পদার্থের প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমায়। রোজ সকালে কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেতে পারেন। শুধু হলুদ না খেতে চাইলে মধু ও হলুদ একসঙ্গেও খেতে পারেন।

রসুন ও আদা : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে পারেন আদা ও রসুন। এগুলোতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য ফুসফুসকে ভালো রাখতে এবং ফুসফুস থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া ফুসফুসের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

ব্রোকলি : ব্রোকলিতে থাকা সালফোরাফেন, অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে এবং ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। তাই রোজ খাবারের প্লেটে অবশ্যই রাখুন ব্রোকলি।

তুলসীপাতা : তুলসীপাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য ফুসফুস সুরক্ষার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাতাসে ভেসে থাকা দূষিত পদার্থ নিঃসরণ করতে তুলসীপাতা সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন সকালে তুলসীপাতা চিবিয়ে বা এক টেবিল চামচ রস বের করে খেতে পারেন।

ফল ও শাকসবজি : বেদানা, আপেল, আঙুর, কমলালেবু, পেয়ারা, গাজর, বিনস, শসা, কুমড়ো ইত্যাদি ফল ও শাকসবজি ফুসফুসের স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এগুলোতে থাকা ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফ্ল্যাভোনয়েড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই রোজ শাকসবজি খান এবং খাবারের পরে ফল খান।

এ ছাড়া অলিভ অয়েল, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার, পেঁয়াজ, দুধ ও ডিম ইত্যাদি খাবার ফুসফুসের যত্ন নিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads