• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

জাতীয়

অর্থ পাচার বন্ধে আসছে নতুন আইন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৮ জুন ২০২১

এবার টাকা পাচার বন্ধে, অর্থ লেনদেনের গতিবিধি ডিজিটাল মাধ্যমে তদারকি করতে নতুন আইন করা হচ্ছে।

পাশাপাশি বর্তমান কিছু আইনেও সংশোধন আনা হবে। তবে, টাকা পাচারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি করেছেন দুদকের আইনজীবী।  যদিও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আইন নয়, পাচার বন্ধ করে দেশে টাকা রাখতে প্রয়োজন অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।

অর্থপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রথম সরাসরি আইন 'মানি লন্ডারিং আইন-২০০২'। শাস্তি ছিলো কমপক্ষে ছয়মাস, সর্বোচ্চ সাত বছর জেল। আর অপরাধের সাথে জড়িত অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা। এর পরের আইন হয় ২০০৯ সালে। কারাদণ্ডের শাস্তি একইরকম থাকলেও, অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি পুরোটাই বাজেয়াপ্তের বিধান রাখা হয়।

পুরোনো আইন বাতিল করে ২০১২ সালের জানুয়ারিতে কার্যকর হয় নতুন আইন। বাড়ানো হয় জেল-জরিমানা-দুটোই। কিন্তু, তাতেও সন্তুষ্ট নন আইনজীবীরা।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, বর্তমান আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ যথেষ্ট নয়। টাকা পাচার রোধে যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদণ্ডের বিধান কার্যকরের দাবি জানান দুদক আইনজীবী।

টাকা পাচার বন্ধে বর্তমান আইনের উপর নির্ভর করতে চান না অর্থমন্ত্রী। তাই উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন আরো একটি আইন তৈরির। সংশোধন হবে আরো কয়েকটি পুরোনো আইনের।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, অর্থ লেনদেনের গতিবিধি ও যারা টাকা পাচার করে তাদের শনাক্ত করতে পারলে টাকা পাচার রোধ অনেকটা সহজ হবে।

কিন্তু যত কঠোরই হোকনা কেন, আইনের ফাঁক গলে ঠিকই পার পেয়ে যাবে প্রভাবশালীরা। তাই দেশের টাকা দেশে রাখতে আইন নয়, উপযুক্ত পরিবেশ বেশি জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

২০১৫ সালে মানি লন্ডারিং আইন সংশোধনের আগ পর্যন্ত ২৭ ধরনের অপরাধ থেকে টাকা পাচারের অনুসন্ধান ও তদন্তের দায়িত্বে ছিলো একমাত্র দুদক। এখন কেবলমাত্র একটি, শুধু ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থপাচার দুদকের এখতিয়ারভুক্ত। বাকিগুলোর দায়িত্বে এনবিআর, সিআইডি, বিএসইসি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads