• শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ৬ জৈষ্ঠ ১৪২৯
 শনাক্তের হার ১৪ শতাংশের বেশি

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

শনাক্তের হার ১৪ শতাংশের বেশি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৫ জানুয়ারি ২০২২

দেশে গত একদিনে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৭ জনের দেহে। এ সময়ে মারা গেছেন ৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত ১৬ লাখ ১২ হাজার ৪৮৯ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ হাজার ১৩৬ জন। গত একদিনে  শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। করোনার সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ফের কোভিড ডেডিকেটেড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত একদিনে সুস্থ হয়েছেন ২৯৪ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৬০০ জন। নতুন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৩ হাজার ২১১টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ২৮টি। এখন পর্যন্ত এক কোটি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ১২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো জানায়, গত একদিনে প্রতি ১০০ নমুনার বিপরীতে পজিটিভ শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মারা গেছেন ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত একদিনে মৃতদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী। তাদের মধ্যে ২ জনের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছর,  তিন জনের বয়স  ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, একজনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর। এছাড়া ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সি একজন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়,  মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ জন, বরিশালে ১ জন এবং সিলেটে ২ জন  মারা গেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ জন এবং ৩ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।

করোনার সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ফের কোভিড ডেডিকেটেড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরের সপ্তাহ থেকে আর কোনো নন-কোভিড রোগী ভর্তি নেওয়া হবে না। হাসপাতালের পরিচালনা কমিটি গতকাল এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্র জানায়।

হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানান, আমাদের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তবে যেহেতু কয়েক মাস ধরে নন কোভিড রোগী ভর্তি হচ্ছিল, তাই তাদের ব্যবস্থাপনার জন্য অন্তত আরো সাতদিন সময় লাগবে।

বর্তমানে প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ মতো রোগী এখন আছেন এখানে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এখানে অনেক কিডনি রোগী আছেন, যাদের ডায়ালাইসিস দরকার হয়। কার্ডিওলজি বিভাগেও অনেকেই ভর্তি আছেন। তাদের ব্যবস্থা না করে রাতারাতি কোভিড ডেডিকেটেড করে দেওয়া সম্ভব না। তাই আগামী সাতদিন থেকে ১০ দিনের মতো সময় লাগবে এসব রোগীদের ব্যবস্থাপনা এবং কোভিড রোগীদের জন্য সাধারণ বেড, আইসিইউ, এইচডিইউসহ অন্যান্য সবকিছু প্রস্তুত করতে। কোভিড রোগী এখনো এখানে ভর্তি আছেন, কিন্তু যেহেতু পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, তাই যদি অনেক রোগী হয়ে যায়, তখন আর কোভিড এবং নন কোভিড একসঙ্গে রাখা যাবে না।

 

সব মিলিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েকটা দিন সময় নিচ্ছে প্রস্তুতির জন্য। এরপর থেকে আর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নন কোভিড রোগীদের ভর্তি নেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads