• বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯
সাবধান না হলে সামনে বিপদ

ছবি: জয়ন্ত

জাতীয়

সাবধান না হলে সামনে বিপদ

  • এম এ বাবর
  • প্রকাশিত ৩০ জুন ২০২২

নিজের জিনগত গঠনে ক্রমাগত বদল এনে, নতুন নতুনরূপে ফিরে আসছে করোনাভাইরাস। ফলে আবারো বাড়ছে কোভিড-১৯ আতঙ্ক। এবার ভাইরাসটির চতুর্থ ঢেউ পুরোদমে দেশে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, যে ভ্যারিয়েন্টটা আসছে, সেটা চরিত্র বদলে শক্তিশালী হচ্ছে, নাকি মৃদু হয়ে আসছে, সেটা তো এখনো জানা যায়নি। তাই এখনই সতর্ক হতে হবে। নইলে সামনে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া আসন্ন পশুরহাট ও ঈদ যাত্রায় সংক্রমণের হার আরো বাড়বে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সংক্রমণ চূড়ায় উঠবে। এরপর এক সপ্তাহ স্থিতাবস্থা থাকবে। পরে কমে আসতে পারে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, করোনা এখন ঊর্ধ্বমুখী। আমরা কিছুটা চিন্তিত, কিন্তু শঙ্কিত নই, প্রস্তুত আছি। সংক্রামণ প্রতিরোধে আবারও ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতিতে কঠোর হচ্ছে সরকার।

২০১৯-এর শেষে, চীন থেকেই প্রথম শোনা গিয়েছিল, করোনা, অতিমারি, লকডাউনের মতো ভয়ঙ্কর শব্দগুলো। তার ঠিক মাস তিনেকের মধ্যেই, ২০২০-র শুরুর দিকে, বাংলাদেশে আছড়ে পড়ে মারণ করোনার ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের মূলে ছিল ভ্যারিয়েন্ট আলফা, এরপর দেশকে ছারখার করে দিয়ে গেছে করোনার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ঢেউ।

মূলত ডেল্টা ও ওমিক্রনের দাপটে ভয়ঙ্করভাবে ছড়াতে থাকে করোনা। মৃত্যুমিছিল দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে দেশবাসী। এখানেই থেমে নেই। নিজের জিনগত গঠনে ক্রমাগত বদল এনে, নতুন নতুনরূপে ফিরে আসে করোনাভাইরাস। ডেল্টা থেকে ডেন্টা প্লাস, ডেল্টাক্রন। কাপ্পা থেকে ইউএচইউ, এই স্ট্রেনগুলির হাত ধরে নতুন রূপে ফিরে ফিরে আসছে সংক্রমণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে গতকাল বুধবার পরীক্ষার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের বেশি হওয়ায় ভাইরাসটির চতুর্থ ঢেউ নিশ্চিত হয়ে যায়।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কোনো রোগীর মৃত্যু না হলেও শনাক্তের হার ঊর্ধ্বোগতিতে রয়েছে। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০২ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ সময়ে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ১৪৫ অপরিবর্তিত থাকল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৫২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭ হাজার ২১৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৯১২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ৭১২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এরআগে মঙ্গলবার (২৮ জুন) ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু এবং ২ হাজার ৮৭ জন নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওইদিন শনাক্তের হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২৭ জুন দুজনের মৃত্যু এবং ২ হাজার ১০১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। ওইদিন শনাক্তের হার ছিল ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ। এছাড়া ২৬ জুন দুজনের মৃত্যু ও এক হাজার ৬৮০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। আর ২৫ জুন করোনায় মারা যান তিনজন এবং শনাক্ত হয় এক হাজার ২৮০ জন রোগী।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপট শিথিল হয়ে আসায় গত ফেব্রুয়ারির পর থেকে দেশে সংক্রমণের হারও কমতে থাকে। এরই ধারাবাহিকায় গত ২৬ মার্চ দৈনিক শনাক্ত একশোর নিচে এবং ৫ মে তা আরও কমে ৪ জনে নামে। তবে গত ২২ মে’র পর থেকে সংক্রমণ আবারও ঊর্ধ্বমুখী রূপ নেয়। গত ১২ জুন দৈনিক শনাক্ত ১০০ ছাড়ানোর মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় তা আরো বেড়ে ৮০০ ছাড়িয়ে যায়।

এরইমধ্যে মঙ্গলবার দেশে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বা উপ-ধরন শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক। নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টটির নাম দেওয়া হয়েছে বিএ.৪/৫ (ইঅ.৪/৫)। বাংলাদেশি দুজনের শরীরে সাব-ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হয়েছে। যাদের একজনের বয়স ৪৪ বছর এবং অন্যজনের ৭৯ বছর। নতুন উপ-ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একজন করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ এবং অন্যজন দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে, অন্যজন বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অন্যদিকে আবারো দেশে করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির কারণে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ সরকার মঙ্গলবার ছয়দফা নির্দেশনা দিলেও তা প্রায় সবখানে উপেক্ষিত। রাজধানীতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে চরম অনীহা রয়েছে মানুষের মধ্যে। অধিকাংশ মানুষই মাস্কছাড়া বাইরে বেরিয়েছে। মানছেনা সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। এতে সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এসব মানুষের ভাবলেশহীন চলাফেরা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবারো আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। কারো মুখেই মাস্ক নেই, নেই সামাজিক দূরত্ব মানার বালাই। হাট-বাজার, মার্কেট, দোকান, হাসপাতাল, অফিস কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই মঙ্গলবার টানা দ্বিতীয় দিন দুই হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে; যার বেশিরভাগই রাজধানীর। শনাক্তের হার বেঁড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশ। বেড়েছে মৃত্যুও।

এমন পরিস্থিতিতে আবারো ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস নীতি’ গ্রহণ করেছে সরকার। সবক্ষেত্রে মাস্কপরা বাধ্যতামূলক, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, জ্বর-সর্দি, কাশি হলে কোভিড টেস্ট করা, ধর্মীয় উপসনালয়ে মাস্ক পরাসহ ছয়দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে।

তবে এসব বিধিনিষেধ মানায় সাধারণ মানুষের যেমন উদাসীনতা রয়েছে, তেমনি বিধিনিষেধ মানাতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো তদারকিও নেই রাজধানীতে। করোনা সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে, তা আবারো ভয়াবহ হতে পারে বলেই আশঙ্কা রয়েছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

এর আগে দেশে করোনার সংক্রমণ আবারো বেড়ে যাওয়ায় মসজিদ-শপিংমলসহ সবক্ষেত্রে মাস্কপরা আবারো বাধ্যতামূলক করে সরকার। মঙ্গলবার (২৮ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, সামপ্রতিককালে সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের হার দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ও জনগণের মধ্যে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে যথেষ্ট শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে মর্মে সরকারের উচ্চ মহলে আলোচনা হচ্ছে। ১৪ জুন কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় নেওয়া সুপারিশ প্রতিপালনের জন্য এবং কোভিড প্রতিরোধকল্পে নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হলো। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি- সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে। ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানসমূহে (যেমন-মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জ্বর, সর্দি, কাশি বা কোভিড-১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড টেস্ট করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরিটাস অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের ‘চতুর্থ ঢেউ’ শুরু হয়ে গেছে। ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে আবার এখন ডেঙ্গুরও মৌসুম। করোনা ও ডেঙ্গুতে একসঙ্গে যাতে কেউ আক্রান্ত না হন, সেজন্য সবার সাবধান থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরতে হবে।

সংক্রমণের হার বাড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমার অনুরোধ, হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, যেসব স্বাস্থ্যবিধি আছে, তা যথাযথভাবে মেনে চলুন। করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে হলে সবাইকে দ্রুত টিকা নিতে হবে। এর মধ্যে সুখবর হচ্ছে এ ব্যাধির নাকে নেয়ার ওষুধের ট্রায়ালও শিগগিরই দেশে শুরু হতে পারে।

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, আরো বাড়তে পারে করোনা। দৈনিক বৃদ্ধি এখন থেকে দ্বিগুণ হতে পারে। তাই পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে প্রবীণদের আরো সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, এখন ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর। পরীক্ষা করালে অনেকের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসবে। তাই সাবধান থাকতে হবে। করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে গেলেই বিপজ্জনক হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু এখন শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের ওপরে। অর্থাৎ করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে। তাছাড়া করোনা, ডেঙ্গু ও মৌসুমি সর্দি-জ্বর, এই তিনের সংমিশ্রণে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিজে বাঁচুন এবং পরিবারকে বাঁচতে দেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়ছে। আবার এখন ডেঙ্গুরও মৌসুম। এই মুহূর্তে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরলেই বেশির ভাগ নিরাপদ থাকা যায়। সামনে ঈদে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নেবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য রাজধানীর পুরাতন পাঁচটি হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হয়েছে। করোনা রোগীদের আগের ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোকে নতুন করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, করোনা এখন ঊর্ধ্বমুখী। আমরা কিছুটা চিন্তিত। আমরা শঙ্কিত নই, প্রস্তুত আছি। গতকাল মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-সংস্থা প্রধানদের সঙ্গে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারও উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণ রোধে গত সপ্তাহে আমরা সভা করেছি। সেখানে কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম। অফিস, স্কুলে গেলে মাস্ক পরবেন। ট্রেনে-বাসে মাস্ক পরতে হবে। গত সপ্তাহে এ বিষয়ে অনুরোধ করেছি। কেবিনেটসহ বিভিন্ন জায়গায় চিঠি দিয়েছি। জনগণ এই নির্দেশনা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করছি। গত দুই, তিন দিন ধরে দুই, তিন জন করে মারা যাচ্ছেন। আমরা আহ্বান জানাচ্ছি মানুষ যাতে ভ্যাকসিন নেয় এবং মাস্ক পরে।
তিনি জানান, শিশুদের ভ্যাকসিন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। শিশুদের জন্য করোনার ভ্যাকসিন জুলাই মাসের মাঝামাঝি পেয়ে যাবো। এটা হাতে আসলে জুলাইয়ের শেষে পাঁচ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। সেজন্য যে ডকুমেন্টস প্রয়োজন সেগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads