• সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯
এক যুগে ৩০ হাজার ঘরবাড়ি বিলীন

ছবি: বাংলাদেশের খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

এক যুগে ৩০ হাজার ঘরবাড়ি বিলীন

  • নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৬ জুন ২০২২

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার আমিন বাজার থেকে জনতা ঘাট পর্যন্ত মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে গত ১২ বছরে ৩০ হাজার পরিবারের ঘর-বাড়ি, ভিটা-মাটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, হাট-বাজারসহ কৃষি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন কবলে সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় পরিবারগুলো।

গতকাল রোববার সকালে উপজেলার সোলেমান বাজারের সৈয়দপুর এলাকায় ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. বাহার চৌধুরী, চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, ইউপি সদস্য মাহে আলম, সামছুল আলম বাহার প্রমুখ। নদী ভাঙনের শিকার মানুষগুলো আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘আঙ্গোরে নদী ভাঙনের হাত থেকে বাঁচান, নদীয়ে দুই-তিন বার করি আঙ্গো ঘর-বাড়ি ভাঙ্গি লই গেছে। এখন আবার ভাঙলে আমরা কোনাই যামু, কার কাছে যামু? আঙ্গো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারে কয় (বলে) পাথরের ব্লক ও জিও ব্যাগ দিই নদীর ভাঙন বন্ধ করেন।’

চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন বলেন, ২০১০ সাল থেকে মেঘনা নদীর এই ভাঙন শুরু হয়। গত ১২ বছরে প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের শিকার হয়ে প্রায় ৩০ হাজার পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো হাজার হাজার পরিবার ভাঙন আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে। অনতিবিলম্বে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা না নিলে সুবর্ণচর এবং স্বর্ণদ্বীপ নদীদে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম বলেন, এখানে বিস্তীর্ণ এলাকা নদী ভাঙনের কারণে হাজার হাজার মানুষ ভিটে-মাটি হারিয়ে সর্বস্ব হারা হয়ে গেছ। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন, এখানে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিবেন। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ অবস্থায় এখানে নদী যদি শাসন করা না হয়, তাহলে সহায়-সম্বলহীন মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads