• সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

ছবিতে গল্প

পথের পাশেপথের পাশে

  • আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া
  • প্রকাশিত ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া ইউনিয়নের সুলতানী গ্রামে। এই জংলি ফুলগুলো আমার গ্রামের বাড়ির বাগানে প্রচুর ফুটে থাকত। বিশেষ করে আমাদের পারিবারিক গোরস্তানে। ‘বর্তমানে যাহা রাক্ষুসী মেঘনা গ্রাস করে নিয়েছে’। এই ফুলের সমারোহ আমাদের কবরস্থানটিকে এমনভাবে সাজিয়ে দিত মনে হতো সব কবর যেন ফুলের চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

এই ফুলের নাম লান্টানা বা পুটুস বা ‘ছত্রা’। এটি হলো ভারবেনা বা ভারবেনাস পরিবারভুক্ত একটি ফুলের প্রজাতি, এর উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম হলো খধহঃধহধ পধসধৎধ, এর আদিনিবাস ক্রান্তীয় আমেরিকা। বর্তমানে এশিয়ার বাংলাদেশ ও ভারতসহ সর্বত্রই পাওয়া যায়। ফুলটি দেখতে মেয়েদের নাকফুলের মতো তাই এটাকে আমরা আঞ্চলিক বাংলায় ‘নাকফুল’ বলেই ডাকতাম।

কদিন আগে প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে উত্তরা ৫নং সেক্টরের লেকের পাশে হাঁটতে গিয়ে দেখি, এই ফুলগাছে অজস্র ফুল প্রস্ফুটিত হয়ে আছে। গাছটিকে মনে হলো, একগুচ্ছ সুন্দরের আগুন যেন লেকের পাড় উজাড় করে রেখেছে। দেরি না করে ক্যামেরাবন্দি করলাম। শহর বলেই ফুলটিকে এত মনোমুগ্ধ ও কুলীন বলে মনে হয়েছে। অথচ গ্রামে ছিল একেবারেই অবহেলিত। এই নাকফুল বা ছত্রাফুল গাছের মতো অনেক কিছুই শহরে এসে কুলীন হয়ে যায়। আবার ক্ষেত্রবিশেষে উল্টোটাও হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads