• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮
মীর সাব্বিরের ‘দহন’

সংগৃহীত ছবি

শোবিজ

মীর সাব্বিরের ‘দহন’

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৮ মে ২০২১

চলমান পরিস্থিতিতে অন্য সবার মতো ঘরবন্দি সময় কাটিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মীর সাব্বির। পর্যায়ক্রমে কাজ করেছেন বেশকিছু একক ও ধারাবাহিক নাটকে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সতর্কতার সঙ্গে সহশিল্পীসহ শুটিং দলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করছেন এ অভিনেতা। এবারের ঈদে অভিনয় করেছেন নাটক ‘দহন’ এ। নাটকটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির ও তানজিকা আমিন প্রমুখ। প্রচারিত হবে আজ ৬টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে।

‘দহন’-এর গল্পে দেখা যাবে, এক অদ্ভুত সমীকরণের দোলাচলে দুলছে সাগর আর সুকৃতির জীবন। দুই বছর আগে পরিচয়, প্রেম এবং বিয়ে। সুকৃতির স্বপ্ন ছিল তার নিজের একটা সাজানো গোছানো ফ্ল্যাট হবে। তাই বিয়ের পরপরই বাবার রেখে যাওয়া পেনশনের টাকা আর সাগরের জমানো টাকা দিয়ে একটা ফ্ল্যাট কিনে ফেলে। দুজনের যৌথ মালিকানায় ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রেশন করা হয়। সুখেই কাটছিল তাদের সংসার। বিপত্তি ঘটে যখন থেকে সুকৃতি চাকরি করতে চায়। সুকৃতি একটি কোম্পানিতে চাকরির আবেদন করেছিল। সেখান থেকে তার ডাক আসে। কিন্তু সাগর চায় না সুকৃতি চাকরি করুক। তার কথা হলো, সে যা আয় করে তাতে তাদের বেশ ভালোভাবে চলে যাবে। তাই সুকৃতির চাকরি করার দরকার নেই। আর সুকৃতির কথা হলো, সে পড়াশোনা করেছে, তার যোগ্যতা কাজে লাগাতে হবে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে মতবিরোধ বাড়তে থাকে। ক্রমান্বয়ে তাদের মধ্যে দুরত্ব বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তারা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেয়। একজন আরেকজনকে মুক্ত করে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু ফ্ল্যাটটা থেকে যায়। দুজনেই দুজনকে ফ্ল্যাট উপহার দিয়ে যায়। এক বছর পর দুজনেই ফ্ল্যাট দেখতে আসে। নিঃসঙ্গ ধুলোপড়া বাসা দেখে দুজনেরই প্রশ্ন জাগে।

বর্তমানে শুটিংয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন, ‘আগের চাইতে তেমন কিছু পরিবর্তন হয়নি। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, টুপি, চশমা পরতে হচ্ছে সবাইকে। এখন কাজে সবাইকে ফিরতে হবে। করোনা তো অল্পদিনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদায় হয়ে যাবে না। দুই মাস আগে যখন কাজের পরিবেশ ভালো ছিল, তখন সবাই আতঙ্কের কথা বলেছে। এখনো তাই বলছে। সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি সবারই আছে। যতটা সম্ভব সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিজের কাছে। কেউ কাউকে সুরক্ষা দিতে পারবে না। প্রত্যেকটা শ্রেণি-পেশার মানুষ কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে কাজে বের হয়েছে।’

এ তারকা আরো বলেন, ‘এমন নয় যে, কেউ আনন্দ নিয়ে কাজ করছে। আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করছি। যে কাজ করতে চায় সেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করবে। এতে করে নিয়মিত কাজের চর্চাসহ কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গাটা স্থবির হবে না।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads