• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮
বহুমাত্রিক মম

সংগৃহীত ছবি

শোবিজ

বহুমাত্রিক মম

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৯ মে ২০২১

মুখে অনেক তারকা কিংবা অভিনয় শিল্পীকেই বলতে শোনা যায়, ‘বেছে বেছে কাজ করব। ভালো চরিত্র, গল্প আর মেধাবী নির্মাতা ছাড়া কাজ করব না।’ কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে বেশির ভাগ তারকাকেই কথার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। দেখা যায়, যে কোনো ধরনের কাজের জন্যই অপেক্ষায় থাকেন তারা। ডাক পেলেই ছুটে যান। চিত্রনাট্য না পড়ে কিংবা গল্প ও নিজের চরিত্র সম্পর্ক খোঁজখবর না নিয়েই জোয়ারে ভাসছেন তারা। এক্ষেত্রে অনেকটাই ব্যতিক্রম জাকিয়া বারী মম। জোয়ারে না ভেসে স্রোতের বিপরীতে চলতে দেখা যাচ্ছে তাকে।

দেড় দশকের ক্যারিয়ারে কাজ করেছেন বহুমাত্রিক চরিত্রে। শুরু থেকেই আস্তে ধীরে কাজ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। যার সুবাদে যেখানে হাত দেন সেখান থেকেই সুনাম কুড়িয়ে আনছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী জাকিয়া বারী মম একাধারে বিজ্ঞাপন, নাটক, ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্রে তার দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশি চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন।

২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন মম। ছবির নাম ‘ম্যাক্স কী গান’। ছবিটি পরিচালনা করছেন ভারতীয় নির্মাতা সামীর খান। ভুটানের বিভিন্ন লোকেশনে এ ছবির শুটিং করেছেন মম। ছবিটিতে মম অভিনয় করেছেন একজন সিবিআই অফিসারের চরিত্রে। ছবিটির শুটিং, লোকেশন ও নিজের চরিত্র নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি শুটিংয়েরও দারুণ অভিজ্ঞতার কথা জানান এ লাক্সকন্যা। প্রথমবার হিন্দি ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মম বলেন, ‘একটি আন্তর্জাতিক সিনেমার টিমের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। এই অভিজ্ঞতা আমার আগামী দিনের পথচলায় নিঃসন্দেহে অনেক কাজে লাগবে। সবচেয়ে বড় কথা এ ছবিতে আমাকে চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্টরা আমার কাজ ও অর্জন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনেই নির্বাচিত করেছেন। সিবিআই অফিসার চরিত্রটি নিজের মধ্যে ধারণ করার জন্য যথেষ্ট সময় দিয়েছি। আমি তা নিজের মধ্যে ধারণ করেই কাজ শুরু করেছি। অভিনয় জীবনের নতুন আরেক দিগন্তের শুভ সূচনা হলো এ ছবির মাধ্যমে।’ ২০০৬ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বিজয়ী ২০০৭ সালে তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে তার আবির্ভাব ঘটে। এই চলচ্চিত্রে তার কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৫ সালে ‘ছুঁয়ে দিলে মন’ ছবিতে অভিনয় করে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের দর্শক জরিপ ও সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও কাজ করেছেন। তবে অন্যদের তুলনায় সে সংখ্যা খুব বেশি নয়। সংখ্যার ভিড়ে হারিয়ে না গিয়ে এ অভিনেত্রী মানের দিকেই গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন প্রতিনিয়ত। যার কারণে সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে অনেকে হারিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্থির রয়েছেন মম।

মম বলেন, যখনকার কাজ তখনকার সময়েই ভালো। আগেকার সময়ের কাজগুলো তখনের সময়ের জন্য ভালো ছিল। এখনকার কাজগুলো এই সময়ের জন্য ভালো। আগের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করে আসলে লাভ নেই, সময়ের সঙ্গেই চলতে হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads