• শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮
শিশুকে হত্যা করে মুক্তিপণ দাবি, খালু গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি

অপরাধ

শিশুকে হত্যা করে মুক্তিপণ দাবি, খালু গ্রেপ্তার

  • সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৫ মে ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদরাসা শিক্ষার্থী শিশু মো. রিয়াদ (৭) এর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাতো খালু সুজনকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত রিয়াদ গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো. রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।

গ্রেপ্তার সুজন গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে।   

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে ভিকটিমের চাচাত খালু সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ৫ মে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ হত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads