• শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯

ফিচার

৩৯ জন চিত্রশিল্পীর প্রদর্শনী ‘জলকাব্য ৪’

  • সালেহীন বাবু
  • প্রকাশিত ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

জল এবং রঙের জগতে আবার যাত্রা শুরু হলো। এজ, দ্য ফাউন্ডেশনের  উদ্যোগে এজ গ্যালারিতে উদ্বোধন হয়েছে ‘জলকাব্য ৪’। নবীন এবং প্রবীণদের এই যৌথ চিত্রপ্রদর্শনীতে ৩৯ জন শিল্পীর ৭৮টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। যেখানে আপনি চিত্রশিল্পীদের নিপুণ তুলির আঁচড়ে নিজেকে নিমজ্জিত করতে পারবেন। চিত্রপ্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিল্পী হলেন, আবদুস শাকুর শাহ, আল-আখির সরকার, আনামুজ জাহিদ, আনিসুর রহমান, আনিসুজ্জামান, আরিফা ইভানা, আরিফুল ইসলাম, আজমীর হোসেন, বিপ্লব চক্রবর্তী, বীরেন সোম, হামিদুজ্জামান খান, হাসুরা আক্তার রুমকি, জামাল আহমেদ, কামরুজ্জোহা, কনক চাঁপা চাকমা, কাউসার হোসেন, মানিক বনিক, মিন্টু দে, মোহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ ইকবাল, মং মং  শো, মনিরুল ইসলাম, মজুর রশিদ, নবরাজ রায়, নাজমুল হক বাপ্পি, পলাশ দত্ত, রঞ্জিত দাস, সমরজিৎ রায় চৌধুরী, স্বর্না আক্তার, শহীদ কবির, শাকিরুন্নাহার কানন, শারমিন আক্তার লিনা, সোহাগ পারভেজ, সিগমা হক অংকন, সৈকত হোসেন, স্বপন চৌধুরী, ওয়ারিয়র রহমান সামি, জাহাঙ্গীর আলম ও জিয়াউর রহমান।

প্রদর্শনী সম্পর্কে অধ্যাপক হামিদুজ্জামান বলেন, ‘তারা চিত্রপ্রদর্শগুলো নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে করে। এসব প্রদর্শনীতে আমার চেয়ে সিনিয়রদের ছবি থাকে, আমাদের ছবি থাকে। আবার অনেক নতুনদের ছবি থাকে। নতুনরা অনেক এগিয়ে এসেছে। ওরা অনেক যত্ন করে আঁকে। কয়েক বছরের মধ্যে একটা পরিবর্তন এসছে যখন নতুন শিল্পীরা দেখে তাদের ছবি গ্যালারিতে শোভা পাচ্ছে। পাশাপাশি তাদের সিনিয়রদেরও ছবি আছে তারা নিজেদের গর্বিত মনে করে। যা তাদের সামনে চলার অনুপ্রেরণা দেয় বলে আমি মনে করি। এ ক্ষেত্রে জলরং প্রমোট হচ্ছে।’

প্রদর্শনী সম্পর্কে চিত্রশিল্পী বিপ্লব চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি জলকাব্য-৩ প্রদর্শনীতে  অংশগ্রহণ করেছিলাম। এরই ধারবাহিকতায় আমি জলকাব্য-৪ এ অংশগ্রহণ করেছি। এটি একটি গ্রুপ প্রদর্শনী। এখানে সিনিয়র-জুনিয়র সব শিল্পীদের নিয়ে একসাথে প্রদর্শনী হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য একটা প্ল্যাটফরম বলে আমি মনে করি। সিনিয়ররা আমাদের কাজ দেখে মন্তব্য করছেন। সে অনুসারে আমাদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। এটা আমাদের কাছে বড় পাওয়া। এখানে আমার ৩টা ছবি আছে। আমার একটি ছবিতে কার্টুন আঁকা। নাম হলো ‘সভ্যতার বিকাশ’। এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও অনেকে ফেসবুক ব্যবহার করে। ফেসবুকে আমরা ভালোমন্দ দুটোই পেয়েছি। এই বিষয়টাই আমি কার্টুনের মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছি। দ্বিতীয় ছবিতে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য নিয়ে একেছি আমার মত করে।

জলকাব্য-৪  নিয়ে এজ গ্যালারির ব্যবস্থাপক আবু শোয়েব (জুয়েল) বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই আয়োজন করেছি। এবার ৩৯ জন শিল্পীর ৭৮টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জন সিনিয়র চিত্রশিল্পী। উদ্বোধন করেছেন আমাদের ফাউন্ডার ট্রাষ্টি ইফতেখার এ. খান পিন্টু এবং ট্রাস্টি মহুয়া খান। ছিলেন বরেন্য শিল্পী মো. ইউনুস এবং মো. জামাল আহমেদ। আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি নতুন শিল্পীরা একটি প্লার্টফরম পাক। বিশেষ করে তারা যখন সিনিয়র আর্টিস্টদের সাতে এক সাথে অংশগ্রহণ করছে। বিষয়টি তাদের জন্য গর্বের ও সম্মানের। পাশাপাশি নতুনদের ছবি নিয়ে সিনিয়াররা মন্তব্য করছেন। তাদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এটা একটা বড় ব্যাপার। আমরা চাই, তরুণরা যাতে সামনে আগাতে পারে। পাশাপাশি ওয়াটারকালার যাতে হারিয়ে না যায়। এই প্রদর্শনী উদ্বোধন করেছেন আমাদের ফাউন্ডার ট্রাস্টি মহুয়া খান। ছিলেন বরেন্য শিল্পীরা। ভবিষ্যতে আমরা যখন ‘জলকাব্য ৫’ করব তখন সেই প্রদর্শনীতে আন্তর্জাতিক শিল্পীদেরও ছবি থাকবে। ওয়াটারকালার যাতে হারিয়ে না যায়।  

প্রদর্শনী চলবে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads