Logo

ক্যাম্পাস

জবিতে তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণঅনশন

Icon

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৫

অ
জবিতে তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণঅনশন

ছবি : বাংলাদেশের খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর, অস্থায়ী আবাসন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা প্রদানের দাবিতে ১২ শিক্ষার্থী গণঅনশনে অংশ নিয়েছেন।

রোববার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই অনশন শুরু হয়।

দীর্ঘদিন ধরে জবির কেরানীগঞ্জ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজের অগ্রগতিতে ধীরগতি ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তর করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবি

সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তরের চুক্তি অনতিবিলম্বে স্বাক্ষর করতে হবে। পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হলের স্টিল বেইজড ভবনের কাজ দ্রুত শুরু ও সম্পন্ন করতে হবে। আবাসন ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।

অনশনে বসা ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফেরদৌস শেখ বলেন, ‘বর্তমান সরকার যদি আমাদের মৌলিক দাবি—দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও আবাসন সংকট-সমাধান না করে, ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হবে না। এই সরকার জনগণের সরকার। আমাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নে প্রশাসনকে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সবুজ সংকেত দিয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। তাই আমরা গণঅনশনে বসতে বাধ্য হয়েছি।’

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাকিব উল ইসলাম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা সীমাহীন জায়গা সংকট, অবকাঠামোগত ঘাটতি এবং আবাসন সমস্যার মুখোমুখি। আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি পেয়েছি, বাস্তবায়ন নয়।’

উদ্ভিদবিজ্ঞান, ১৩তম ব্যাচের এ কে এম রাকিব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ১৪তম ব্যাচের মো. রাশিদুল ইসলাম, ইসলামিক স্টাডিজ, ১৫তম ব্যাচের সোহান প্রামাণিক, ব্যবস্থাপনা, ১৫তম ব্যাচের ফয়সাল মুরাদ, দর্শন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের তাওহিদুল ইসলামসহ অনেকে।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করছি। তাদের দাবি আমাদেরও দাবি।’

জেএন/এমআই

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন