আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী আযম খানকে শোকজ
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৭
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম এ নোটিশ জারি করেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন— এমন অভিযোগ ওঠে। পরে টাঙ্গাইল-৮ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় গত ২৯ ডিসেম্বর বিষয়টি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিকে জানায়।
অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনায় দেখা যায়, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বিএনপির প্রার্থী আযম খান বলেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন, এবার ১৩তম নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেবেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’ একই সঙ্গে তিনি নির্বাচিত হলে প্রথম বছরে দুটি সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মতে, এসব বক্তব্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫-এর পরিপন্থী। প্রমাণ যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, একই আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একজন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ছবির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে তাকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বিএনপির প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট প্রভাষক— উভয়কে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে অবস্থিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুহাম্মদুল্লাহ/এমএইচএস

