মানিকগঞ্জ শহরে অভিযান চালিয়ে দেহ ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততা ও ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মানিকগঞ্জ শহরে দিন দিন বাড়ছে দেহ ব্যবসায়ীর সংখ্যা। নামিদামি ফ্লাটে দেহ ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসাও। ঘিওর, সাটুরিয়া উপজেলাসহ গ্রামের কলেজে পড়ুয়া বেশ কিছু মেয়েদের টার্গেট করে অভিনব পদ্ধতিতে চলতো তাদের এই দেহ ব্যবসা । এছাড়াও যুব সমাজের কাছে ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাদক ব্যবসা।
দীর্ঘদিন যাবত মানিকগঞ্জ শহরের তুফান আলী প্লাজার সপ্তম তলায় ৭০১ নাম্বার ফ্লাটে স্বামী-স্ত্রী দম্পতি সুমন খন্দকার ও তানিয়া আফরোজ চৈতি দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা ও দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আরটিভিকে নিয়ে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি)পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে শহরের তুফান আলী প্লাজার ৭ম তলায় একটি ফ্ল্যাটে এই অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ঘিওর উপজেলার কামারজাগীর গ্রামের মৃত আইনাল মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (৪০), একই উপজেলার ঠাকুরকান্দি গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সুমন খন্দকার (৪৮) এবং ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাক ভুঁইয়ার মেয়ে তানিয়া আফরোজ চৈতি(৪৫)।
পুলিশ ও আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা যায়, কলেজে পড়ুয়া ঘিওর ও সাটুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন মেয়েদের এনে এবং তাদের দেহ ব্যবসা পরিচালনা করতেন তারা ।অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৬৭ পিস ইয়াবা যার মূল্য ২০ হাজার ১০০ টাকা। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ দেহ ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে মানিকগঞ্জে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। যেখানেই মাদক থাকবে সেখানেই আমরা অভিযান পরিচালনা করব এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স রয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতদের মামলা প্রক্রিয়া করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
বিকে/মান্নান

