Logo

সারাদেশ

ইউএনওর হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত হলো নিকলীর বেতিয়ারা খাল

Icon

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৪১

ইউএনওর হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত  হলো নিকলীর বেতিয়ারা খাল

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের পশ্চিম রোদাপুড্ডা গ্রামে সরকারি জমি দখল করে মাটি ভরাট ও পিলার বসিয়ে সীমানা ঘেরার অভিযোগে সৃষ্ট ভোগান্তির অবসান হয়েছে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে। এতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতিয়ারা খালের পাশ দিয়ে চলা গ্রামীণ সড়কের প্রবেশমুখে সরকারি জমি দখল করে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি মাটি ভরাট ও পিলার স্থাপন করেন। এতে সড়কটি সরু হয়ে পড়ে এবং কৃষকদের কৃষিপণ্য পরিবহনে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সড়কের ওপর পানি জমে থাকে; এমনকি সেখানে হাঁস ভেসে বেড়ানোর দৃশ্যও দেখা যায়। অপরদিকে, পানির চাপ বেড়ে সড়কের বিপরীত পাশে ভাঙন দেখা দেয় এবং আশপাশের ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

এ অবস্থায় স্থানীয়দের ভোগান্তি দেখে জারইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিকলী উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনেন। উক্ত জন্য দুর্ভোগের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের কবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদন করেন। প্রতিবেদনটি পত্রিকায় প্রকাশের 

 পর গত ২৩ এপ্রিল নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দখলকৃত সরকারি জমি থেকে বাঁশের খুঁটি ও পিলার অপসারণের নির্দেশ দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সড়কটি উন্মুক্ত করে দেন। ফলে সড়কে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন শুরু হয় এবং চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এই বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিযুক্ত দখলদার ইমরানকে ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, দখলের কারণে আমরা ঠিকমতো চলাচল করতে পারতাম না। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন রাস্তা খুলে দেওয়ায় অনেক স্বস্তি পেয়েছি।”

আরেক কৃষক নূরুল ইসলাম জানান, পানি জমে থাকায় আমাদের জমি নষ্ট হচ্ছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগে পানি নেমে গেছে এখন চাষাবাদ করা সম্ভব হবে।

গ্রামবাসীরা প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতে যেন সরকারি জমি দখলের মতো ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

বিকে/মান্নান


Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন