দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকালে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে গভীর রাতে ট্রেন থেকে নামা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় অটোচালকদের সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন দিনাজপুর রেলওয়ে
স্টেশন (ভারপ্রাপ্ত) সুপারিনটেনডেন্ট এ.বি.এম জিয়াউর রহমান এবং দিনাজপুর জিআরপি (রেলওয়ে)
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফখরুল ইসলাম। অভিযান চলাকালীন অবৈধ দখলদারদের
কঠোরভাবে সতর্ক করে তাদের স্থাপনাগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়।
উচ্ছেদ অভিযান শেষে স্টেশন চত্বরে কর্মরত
অটোচালকদের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময়ে মিলিত হন ওসি মোঃ ফখরুল ইসলাম। সেখানে তিনি গভীর
রাতে আসা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও হয়রানি বন্ধে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা
প্রদান করেন। শেষ রাতে বা ভোররাতে নির্জন পথে ছিনতাইয়ের ঝুঁকি থাকে। তাই রাত ৩টার পর
যে সকল যাত্রী স্টেশনে নামবেন, তাদের সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত স্টেশনে অবস্থানের অনুরোধ
জানাতে অটোচালকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অনেক সময় গভীর রাতের সুযোগ নিয়ে যাত্রীদের
জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ ওঠে। ওসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, অতিরিক্ত
ভাড়া আদায় করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তায়
জিআরপি থানার পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখবে বলে সভায় জানানো হয়। স্টেশনের
শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি ভবিষ্যতেও
অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, স্টেশনের মূল
গেট সংলগ্ন এলাকা এবং স্টেশনের আশপাশের জায়গা দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দোকানদার
অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল। এতে স্টেশনে আসা যাত্রীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি
স্টেশনের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছিল।
বাংলাদেশের খবর/ এম.আর

