লোহাগাড়ায় হনুমান ও কচ্ছপসহ পাচারকারী আটক
লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ২০:২৬
সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের চুনতি বনরেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমূখ বাজার নামক এলাকা থেকে এসব বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটক হাদিস রহমান (৪০) ঢাকা জেলার মীরপুর -১১ রোড নং-৩ কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান মিয়ার পুত্র।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধচক্র বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী বনাঞ্চল থেকে গোপনে সংগ্রহ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্নপ্রান্হে চালান করে।
অভিযানসূত্রে আরো জানা যায়,পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে চকরিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে বেশ কিছু বন্যপ্রাণী মজুদ করা হয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটকের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে চুনতী বন্যপ্রাণী ও অভয়ারন্য রেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ জানান,
আটক হাদিস রহমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন,২০২৬ এর ১০(১) এবং (৪) ৪১(৩) ধারায় মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন,বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।
অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে
একটি সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্হে পাচার করে আসছে।
বিকে/মান্নান

