Logo

অর্থনীতি

শিল্প রূপান্তরের অগ্রদূতের ৪৬ বছরে পদার্পণ

জাতীয় রপ্তানি আয়ের ১৭ শতাংশই বেপজার

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৩৩

জাতীয় রপ্তানি আয়ের ১৭ শতাংশই বেপজার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) সাফল্যের ৪৫ বছর পূর্ণ করে ৪৬তম বছরে পদার্পণ করেছে। দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গত চার দশকের বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেপজা শুরু থেকেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তনের ইতিহাসে খুব কম প্রতিষ্ঠানই বেপজার মতো এত ধারাবাহিক ও গভীর অবদান রাখতে পেরেছে।

জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে যার ফলাফল সুদূরপ্রসারী। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত বেপজা সরকারি কোষাগারে ১ হাজার ৪৩১.৯০ কোটি টাকা আয়কর প্রদান করেছে এবং থোক প্রদান করেছে ১ হাজার ২৫৬.৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজার মোট আর্থিক অবদান ২ হাজার ৬৮৮.৩৫ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইপিজেডস্থ শিল্প কারখানার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজা প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ অবদান রেখেছে প্রায় ৩৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

এই যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এক দূরদর্শী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। সত্তর দশকের শেষের দিকে যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ খুব কম ছিল, রপ্তানি ছিল যৎসামান্য এবং কৃষির বাইরে কর্মসংস্থানের সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে এবং সে সময়ের বিশ্বব্যাংকের সুপারিশসহ বৈশ্বিক উন্নয়নের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে তিনি রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্পায়নের একটি সুপরিকল্পিত রূপরেখা তৈরি করেছিলেন।

১৯৮০ সালে ‘বেপজা আইন’ পাস হয় এবং ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বেপজা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যা পরিকল্পিত শিল্পায়নের এক নতুন যুগের সূচনা করে। ১৯৮৩ সালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয়। এই উদ্যোগটি কেবল রপ্তানিমুখী উৎপাদনই শুরু করেনি, বরং বাংলাদেশকে বৈদেশিক বিনিয়োগের একটি উদীয়মান গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিল্প বিপ্লবের সূচনা: চট্টগ্রাম ইপিজেডের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশজুড়ে ইপিজেড স্থাপনের কাজকে সম্প্রসারিত করেন। তার নেতৃত্বে ১৯৯৩ সালে ঢাকা ইপিজেড স্থাপিত হয়, যা রাজধানীর সন্নিকটে দ্রুত শিল্পায়নের জোয়ার সৃষ্টি করে। সাভার ও আশুলিয়াকে পরিণত করে এক সমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চলে। অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আদমজী জুট মিলস এবং কর্ণফুলী স্টিল মিলসকে ২০০৬ সালে আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেডে রূপান্তর করার তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত ছিল বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক নেতৃত্বের এক অনন্য উদাহরণ।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিল্পায়নের লক্ষ্যে আরও চারটি ইপিজেড যথা- মোংলা ইপিজেড, উত্তরা ইপিজেড, ঈশ্বরদী ইপিজেড, কুমিল্লা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বেপজা আটটি ইপিজেড এবং ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ পরিচালনা করছে। এছাড়া যশোর ও পটুয়াখালীতে আরও দুটি জোন তৈরির কাজ চলছে। উত্তরের উত্তরা ইপিজেড থেকে দক্ষিণের মোংলা ইপিজেড প্রতিটি জোন দেশের শিল্প খাতে অনন্য অবদান রাখছে। উত্তরা ইপিজেড উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বদলে দিয়েছে এবং নারী ক্ষমতায়ন ও পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে ভূমিকা রাখছে; অন্যদিকে আদমজী ইপিজেড উচ্চ-মূল্যের রপ্তানি পণ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

বেপজার বিনিয়োগের নতুন সংযোজন: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটটি ইপিজেডের সাফল্যের পর চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বেপজার নতুন সংযোজন ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’। শুরু থেকেই ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছে এবং জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে একটি আইকনিক শিল্পাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। 

বেপজার ক্রমবর্ধামান বিনিয়োগ আকর্ষণের অংশ হিসেবে যশোর এবং পটুয়াখালীতে দুটি ইপিজেড স্থাপনের কাজ শুরু করেছে যার উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। 

ক্ষুদ্র জমি থেকে বিশাল প্রভাব: আটটি চালু ইপিজেড এবং নতুনভাবে চালু হওয়া ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ মিলে দেশের মোট জমির মাত্র ০.০০১% ব্যবহার করছে অথচ এর অর্থনৈতিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। শুরু থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বেপজা ৭.২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে এবং মোট ১২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা জাতীয় রপ্তানি আয়ের প্রায় ১৫-২০%।

৫.৫ লক্ষের বেশি নাগরিকের কর্মসংস্থান: বেপজাধীন জোনসমূহে প্রায় ৫.৫ লক্ষের বেশি বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যার একটি বড় অংশ নারী। গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে শিল্পায়নের জন্য উপযোগী এলাকাতেও ইপিজেডগুলো অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পেশাগত উন্নতির প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই শ্রমশক্তি এখন উন্নত মানের পণ্য উৎপাদন করছে। পাশাপাশি বেপজা শ্রমিকদের কল্যাণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে যা শ্রমিকদের দক্ষ কর্মীতে রূপান্তর করছে।

রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনয়ন: দেশের রপ্তানি যখন মূলত তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীল, তখন বেপজা সফলভাবে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য এনেছে। বেপজাধীন জোনসমূহে বর্তমানে চালু থাকা ৪৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩২% তৈরি পোশাক খাতের, আর বাকি ৬৮% প্রতিষ্ঠান বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন করছে। 

বিভিন্ন চ্যালেঞ্জেও নতুন বিনিয়োগ চুক্তি: বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বেপজা এই অর্থবছরের মার্চ ২০২৬- এ ৩০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। নতুন বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরকৃত প্রতিষ্ঠাসমূহের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৬২৯.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যেখানে প্রায় ৬৪ হাজার বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। 

বিগত ৪৫ বছরের বেশি সময়ের পথচলায় দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সেবা প্রদানে একনিষ্ঠতা ও বিশ্বস্ততায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বেপজা নিবিড়ভাবে বিনিয়োগকারীদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। ২০১৮ সালে সরকার প্রণীত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস অ্যাক্ট, ২০১৮’ এর আওতায় বেপজা ওয়ান স্টপ সার্ভিস বিধিমালা ২০১৯ প্রণয়ন করলেও প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বেপজা ইপিজেডের বিনিয়োগকারীগণকে একই দিনে ওয়ান উইন্ডো পরিষেবা প্রদান করে আসছে। 

ইপিজেডে শ্রম ব্যবস্থাপনা: ইপিজেড শ্রমিক-মালিক-ব্যবস্থাপনার এক অপূর্ব সমন্বয়ে গঠিত যার মাধ্যমে ইপিজেডসমূহে একটি অনুকূল কর্মপরিবেশ বিরাজ করছে। বেপজার বিভিন্ন ইপিজেডে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক নিয়োগ, মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্ক, সর্বনিম্ন মজুরির হার নির্ধারণ, মজুরি পরিশোধ, কার্যকালে দুর্ঘটনাজনিত কারণে শ্রমিকের জখমের জন্য ক্ষতিপূরণ, শ্রমিকের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, ইত্যাদি বিষয়ে বিধান রেখে ২০১৯ সালে ‘বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন’ পাস হয় এবং ২০২২ সালে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা প্রণীত হয় যার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইপিজেডের কর্ম-পরিবেশ আরো নিরাপদ, শোভন ও শ্রমবান্ধব হয়েছে। এই আইনে ইপিজেডের শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি (ডব্লিউডব্লিউএ) গঠন প্রক্রিয়াকে সহজতর করা হয়েছে। গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত শ্রমিক কল্যাণ সমিতিসমূহই শিল্প বিরোধ উত্থাপন, নিষ্পত্তি এবং শ্রমিক অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় স্বাধীনভাবে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সিবিএ) হিসেবে কাজ করছে। 

শ্রমিক কল্যাণে বিশেষ কার্যক্রম: বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি ইপিজেডেই হাসপাতাল অথবা মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। এছাড়া, অধিকাংশ ইপিজেডেই ‘বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৫০% ভর্তুকিসহ শ্রমিকদের সন্তানেরা এসব স্কুলে লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে।

শ্রমিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ইপিজেডে হাসপাতাল অথবা মেডিকেল সেন্টার এবং শ্রমিকদের সন্তানদের পরিচর্যার জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। বেপজা তার শিল্প-সম্পর্ক বিভাগের কর্মকর্তা, সামাজিক ও পরিবেশ কাউন্সেলর কাম পরিদর্শকবৃন্দ মাধ্যমে সামাজিক ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহ নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। 

দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর মধ্যে আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বেপজা শীর্ষে: 

বেপজা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায়ও সফলতার প্রমাণ রেখেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল এর ‘ঋণ, সম্ভাব্য দায় এবং আর্থিক ঝুঁকি সম্পর্কিত প্রতিবেদন’ অনুযায়ী ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের ১০১টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য বেপজা শীর্ষে অবস্থান করেছে যা বেপজার প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার স্বাক্ষরও বহন করে।

জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজার অবদান: জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে যার ফলাফল সুদূরপ্রসারী। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত বেপজা সরকারি কোষাগারে ১,৪৩১.৯০ কোটি টাকা আয়কর প্রদান করেছে এবং থোক প্রদান করেছে ১,২৫৬.৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজার মোট আর্থিক অবদান ২,৬৮৮.৩৫ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইপিজেডস্থ শিল্প কারখানার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজা প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ অবদান রেখেছে প্রায় ৩৪,৮০০.০০ কোটি টাকা।

পরিবেশবান্ধব ইপিজেড তৈরি: ইপিজেডে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন পরিবেশবান্ধব সেবামূলক শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার, পানি পরিশোধনাগার, সৌর বিদ্যুৎ রয়েছে। ইপিজেডে লো-কার্বন গ্রিন জোন উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে বনায়নসহ সোলার প্যানেল, সোলার স্ট্রিট লাইট, বয়লার নিঃসরিত বাষ্প থেকে বিদ্যুতের ব্যবহার প্রবর্তন করা হয়েছে। সৌরশক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বেপজার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন করে।  

বেপজা সবুজ শিল্প কারখানা যাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ঈশ্বরদী ইপিজেডের কারখানা ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও দেশের প্রথম সবুজ কারখানা। সবুজ শিল্পায়নের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার জন্য ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল কর্তৃক সর্বপ্রথম লিড প্ল্যাটিনাম সনদ লাভ করে। তার দেখানো পথ ধরেই দেশে দুই শতাধিক পরিবেশবান্ধব কারখানা গড়ে উঠেছে এবং বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ গ্লোবাল লিডার অফ গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি।

৪৬তম বছরে পদার্পণ করা বেপজা একটি দূরদর্শী এবং আস্থার প্রতীক। একটি স্বপ্ন থেকে শুরু হয়ে আজকের এই বৈশ্বিক অগ্রযাত্রায় বেপজা এগিয়ে চলেছে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন