ইউল্যাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১৯:৩৬
ছবি: সংগৃহীত
ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ চীনের কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না-এর প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ‘গ্রেট জার্নি, শেয়ার্ড ফিউচার’ শীর্ষক এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি ইউল্যাব, চীনের দূতাবাস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট-এর যৌথ উদ্যোগে ইউল্যাব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে চীনের লং মার্চ বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীও স্মরণ করা হয়।
দিনব্যাপী এ উদযাপনে ছিল ফটো ও ভিডিও প্রদর্শনী, বই প্রদর্শনী এবং চীনের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি প্রদর্শনী। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা চীনের ইতিহাস, রাষ্ট্র পরিচালনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। শিক্ষার্থীরা চীনের ঐতিহ্যবাহী ক্যালিগ্রাফি ও পেপার কাটিং শিল্পের প্রদর্শনীও উপভোগ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের-এর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা বাদ্যযন্ত্র ‘গুঝেং’-এ পরিবেশনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা। তিনি বলেন, এই উদযাপন শিক্ষা ও সংস্কৃতির পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় করবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ‘দ্য স্টোরি অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ শীর্ষক বক্তব্য প্রদান করেন লি শাওপেং, সংস্কৃতি কাউন্সিলর চীনা দূতাবাস বাংলাদেশ। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ঐতিহাসিক অবদান, লং মার্চ বিজয়ের তাৎপর্য, চীনের উন্নয়নের যাত্রা, দেশটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই এবং বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হুয়াং মউকং। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চীনা প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক শিল্পীরা।
ইউল্যাবের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো, উপ-উপাচার্য, অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা এবং ট্রেজারার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল ইসলাম (অব.), রেজিস্ট্রার সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা। এই উদযাপন ইউল্যাবের শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

