ছবি: সংগৃহীত
নেটফ্লিক্সের তুমুল চর্চিত সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাওয়া মার্কিন অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক জীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। তাকে দেখা গেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ছবিতে। স্যাডি বলছেন, এই সিনেমা তাকে আরও বৈচিত্র্যময় কাজ পেতে সাহায্য করবে।
ভাইয়ের সঙ্গে সাত বছর বয়সে ডিজনির একটি সিরিজ করেন স্যাডি সিঙ্ক। ১০ বছর বয়সে নাম লেখান মঞ্চে। এরপর অনেক কিছু করলেও ২০১৬ সালে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর ম্যাক্স চরিত্রটি তার ক্যারিয়ার বদলে দেয়।
তিনি বলেন, ‘এই সিরিজ আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। দুর্দান্ত সব সহশিল্পীর সঙ্গে দারুণ এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। মজা পেয়েছি, কোনো অভিজ্ঞতা কাঁদিয়েছে; কখনোবা বিচ্ছেদে খারাপ হয়েছে মন। তবে সেটা নিয়ে বসে থাকলে হবে না, নতুন করে শুরু করতে হবে।’
‘স্পাইডার-ম্যান’ ছবিতে তার অভিনীত চরিত্রটি নিয়ে এত দিন ধোঁয়াশা ছিল। মুক্তির পর সেটা খোলাসা হয়েছে। ছবিতে তিনি জিন গ্রে চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ছবির মাধ্যমে শুধু একটি নতুন চরিত্রের পরিচয়ই করানো হয়নি, বরং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে (এমসিইউ) এক্স-মেনের নতুন অধ্যায়েরও ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এই চরিত্রের বিশেষ ক্ষমতা হলো, ৩৩ ফুটের মধ্যে থাকা মানুষের শরীর ও মন নিয়ন্ত্রণ করতে পারা। একের পর এক মানুষের দেহ ব্যবহার করে সে ডিপার্টমেন্ট অব ড্যামেজ কন্ট্রোলের সদর দপ্তরে ঢোকার চেষ্টা করে। সেখানে একটি গোপন ভল্টে এমন কিছু রয়েছে, যা সে উদ্ধার করতে চায়।
সিনেমাটি নিয়ে স্যাডি বলেন, ‘এই ইউনিভার্সের অংশ হতে পেরে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। নতুন হিসেবে এই দলে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু টম (হল্যান্ড) আমাকে দারুণভাবে স্বাগত জানিয়েছে। শুধু টম নয়, পুরো ইউনিটই আমাকে আপন করে নিয়েছিল।’
অভিনেত্রী আরও জানান, তাকে চরিত্রটির জন্য অডিশন দিতে হয়নি। পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটনের সঙ্গে ২০১৭ সালের ‘দ্য গ্লাস ক্যাসেল’-এ কাজ করার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি সরাসরি প্রস্তাব পান।
৩১ জুলাই আন্তর্জাতিক মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। প্রথম দিনে আয় করেছে ১৬ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা উত্তর আমেরিকায় কোনো ছবির সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়। রেকর্ডটি আগে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর দখলে ছিল। ২০১৯ সালে মুক্তির প্রথম দিনে ছবিটি আয় করেছিল ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

