ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে মোট ২৯৪টি আসনে। এরমধ্যে ভোট গণনা করা হবে ২৯৩টি আসনের। একটি আসনে (ফলতা) পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে এ মাসেই। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনে ভোট হয়। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট নেওয়া হয় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে। দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট নেওয়া হয় কলকাতাসহ ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে।
এ নির্বাচনের এখনও ভোট গণনা চলছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই যেন নির্বাচনে ইতিহাস গড়ার আরও কাছে যাচ্ছে বিজেপি। প্রাথমিক গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের সুবাস পাচ্ছে দলটি। অন্যদিকে বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে তৃণমূল শিবিরে। যদিও এখনো কোনো আসনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হয়নি। ফলের এ ধারা অব্যাহত থাকলে নরেন্দ্র মোদির দলই এ রাজ্যে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারবে। তবে এখনই হাল ছাড়তে নারাজ মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়।
নির্বাচন কমশিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতেই ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), আর ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল মাত্র ৮১টি আসনে। এছাড়া বামপন্থি সিপিএম ১, কংগ্রেস ২ এবং ৩টি আসনে অন্যান্য প্রার্থীরা।
এর আগে সোমবার সকাল থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং পরে ইভিএম-এর কাউন্টিং শুরু হয়। গণনায় দিনের শুরুতে তেমন পার্থক্য না থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবধান বাড়তে থাকে। এমনকি মমতা সরকারের হেভিওয়েট মন্ত্রীরাওে বিজেপি প্রার্থীদের কাছে হেরে যাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আপাতত তৃণমূল সরকারের কমপক্ষে ১৫ জন বিদায়ী মন্ত্রী পিছিয়ে আছেন। যে তালিকায় আছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীরা।
আশা ছাড়তে নারাজ মমতা: এদিকে, এখনো আশা ছাড়তে নারাজ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত গণনা কেন্দ্র পাহারা দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দুপুর এক ভিডিওবার্তায় মমতা বলেন, ‘দয়া করে কোনো (তৃণমূল) প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান (পরিকল্পনা)।’
তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল (রোববার) থেকে বলছি, ওদেরগুলো (এগিয়ে থাকা আসন) আগে দেখাবে। আমাদেরগুলো পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। কল্যাণীতে এমন সাতটি মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনো মিলই নেই।’
মমতা অভিযোগ করেন, ‘কেন্দ্র জোর করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের ওপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে। জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট করেছে।’
মমতার দাবি, এখনও তৃণমূল ১০০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সেগুলো বলছে না কমিশন। তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন নিজের ইচ্ছামতো খেলছে। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আমাদের পুলিশরা মাথা নত করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হয়ে কাজ করছে।’
দলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার বার্তা দিয়েছেন মমতা। তার কথায়, ‘মন খারাপ করার কারণ নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন-চার রাউন্ড সবে কাউন্ট হল। ১৮-১৯ রাউন্ড কাউন্ট হয়। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ। আপনারা সবাই জিতবেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছি’।
অন্যদিকে দল এগিয়ে যাওয়ার পর কলকাতার বিজেপি অফিসের সামনে ইতিমধ্যে উৎসব শুরু করেছেন কর্মী সমর্থকরা। বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিজেপির নেতাকর্মীরা একেঅপরের শরীরের রঙ মেখে দিচ্ছেন এবং মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন।
আসামেও বড় জয়ের পথে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ভারতের আসামের বিধানসভা নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। গত ৯ এপ্রিল সেখানে নির্বাচন হয়। গতকাল ভোট গণনা চলছে। এতে দেখা যাচ্ছে এনডিএ জোট ১০১টি আসনে এগিয়ে আছে। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০০টিতে এগিয়ে বিজেপি।
আসামে ১২৬টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সরকার গঠনের জন্য আসামের বিধানসভায় ৬৪টি আসনে জিততে হবে কোনো দল বা জোটকে। যা বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ খুব সহজেই পেতে যাচ্ছে।
এনডিএর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট মাত্র ২১টি আসনে এগিয়ে আছে। দুটি আসনে এগিয়ে এআইইউডিএফ জোট। সর্বশেষ নির্বাচনে অন্যান্য দল চারটি আসন পেলেও এবার তারা খালি হাতে ঘরে ফিরবে।
নিরঙ্কুশ জয়ের মাধ্যমে আসামে আবারও এনডিএ সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন হিমান্ত বিশ্ব শর্মা।
তামিল নাড়ুতে থালাপাতির চমক: তামিল নাড়ুতে প্রথমবার ভোটেই বাজিমাত করেছে দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার বিজয় থালাপতির তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তার দল ২৩৪ আসনের বিধানসভায় ১০৬টিতেই এগিয়ে আছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এমকে স্ট্যালিন নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে) নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে আছে ৬৭টিতে। তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে তাদের প্রতিপক্ষ এআইএডিএম, তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে ৬০টি আসনে।
দুই বছরের নতুন দল নিয়ে বিজয়ের এ ‘ব্লকবাস্টার’ তামিল নাড়ুর রাজনীতির মোড় বদলে দেবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। সরকার গড়তে এ রাজ্যে ১১৮টি আসন লাগবে। সেক্ষেত্রে থালাপতি ডিএমকে না এআইএডিএমকে-র হাত ধরেন, সেটাই দেখার বিষয়।
তামিল নাড়ুতে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (এনডিএ) নেতৃত্ব দিচ্ছে এআইএডিএমকে। পুদুচেরিতে এ দায়িত্ব হাতে তুলে নিয়েছে এন রঙ্গস্বামীর অল ইন্ডিয়া এন আর কংগ্রেস (এআইএনআরসি)।
কেন্দ্রশাসিত এ অঞ্চলে এবারও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটই ক্ষমতায় বসতে চলেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দুপুর পর্যন্ত গণনায় এনডিএ জোটের প্রার্থীরা এখানকার ৩০টি আসনের ১৭টিতে এগিয়ে আছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইনডিয়ার প্রার্থীরা এগিয়ে মাত্র ৮টিতে। বিজয়ের টিভিকে এখানে তৃতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পথে, তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে ২টি আসনে। কেরালায় টানা দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা বামেদের ভরাডুবির লক্ষণ স্পষ্ট। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলে মনে হচ্ছে, দক্ষিণের এ রাজ্যটিতে এক দশক পর সরকার গড়তে যাচ্ছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)।
আজ বিকাল ৩টা পর্যন্ত পাওয়া ফলে রাজ্যটির ১৪০ আসনের মধ্যে ৯১টিতেই এ জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে, বামদের এলডিএফ জোট এগিয়ে মাত্র ৩৪টি আসনে।
গতবার এ রাজ্যে ইউডিএফ মাত্র ৪০টি আসন ব্যাগে পুরতে পেরেছিল, এলডিএফ পেয়েছিল ৯২টি।
আসামে হ্যাটট্রিক জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। সর্বশেষ পাওয়া ফলে তাদের ৯৯টি আসনে এগিয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। কংগ্রেস ও তার মিত্ররা এগিয়ে মাত্র ২৩টিতে।
পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষ, তৃণমূলের অফিসে আগুন: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মাঝেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ের ছাদে উঠে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে। জামালপুরে শাসক শিবিরের কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।
জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করার খবর পাওয়া গেছে। দেওয়া হয়েছে আগুনও। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। বীজপুর এবং নোয়াপাড়াতেও তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এ অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলায় তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। বীজপুর এবং নোয়াপাড়াতেও তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এরপরেই জেলাশাসক, সিপিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সাখাওয়াতের সামনে তৃণমূলের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছিলেন। এ সময় সেখানে সুব্রত বক্সিও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে বিজেপি সমর্থকেরা আসতে শুরু করেন। তারা পুলিশের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় দলটির কর্মী-সমর্থকেরা চেয়ার ভাঙচুর করেন।
এমন পরিস্থিতে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বা তার দল পরাজয় মেনে নিতে এখনও প্রস্তুত নন। তিনি বলেন, কাউন্টিং এজেন্টরা কেউ গণনাকেন্দ্র থেকে সরে আসবেন না।
মমতা ও শুভেন্দুর মোবাইল বাজেয়াপ্ত: নির্বাচনে দুই দলের হেভিওয়েট প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একটি গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। গতকাল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই।
সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার জানিয়েছে, তাদের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
এর আগে একই কেন্দ্রে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার গাড়ির সামনে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেন বিজেপি সমর্থকেরা। ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফলের এই প্রবণতার মধ্যে কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের বাইরে বিজেপি কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়েছেন।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মাঝপথে ফেসবুকে একটি ভিডিওবার্তায় সবাইকে আত্মবিশ্বাসী থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চারদিক থেকে বিজেপির জয়ের খবর আসতে থাকলেও তিনি দাবি করেন, তাদের জয়ের খবরই আগে দেখানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর একটার দিকে মমতা বলেন, ‘এটা আমি আগেই বলেছি। ওদের জয়ের খবরটা আগে দেখাবে। এটা বিজেপির কৌশল।’
মমতা যখন এসব কথা বলছিলেন, তখন তাকে বেশ চিন্তিত মনে হচ্ছিল। হাতজোড় করে নিজের কর্মীদের তিনি বলেন, ‘দয়া করে কাউন্টিং এজেন্টরা এবং প্রার্থীরা কেন্দ্র থেকে আসবেন না, যেখানে কাউন্টিং হচ্ছে সেখানেই থাকবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দুই-তিন দিন ধরে বলছি, ওদেরগুলো আগে দেখাবে, আমাদেরগুলো পরে দেখাবে। প্রায় ১০০টি জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ রাখা হয়েছে। কল্যাণীতে ধরা পড়েছে সাতটি মেশিন।’
বাংলাদেশের খবর/এইচআর

