Logo

আন্তর্জাতিক

শর্তের বেড়াজালে অনড় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

Icon

হাসান রাজীব

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ২০:৫৯

শর্তের বেড়াজালে অনড় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরায়েল এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। পারস্পারিক চাপ প্রয়োগের লড়াইয়ের মধ্যে আটকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। দুই পক্ষই এমন কিছু শর্তে অনড় অবস্থানে থাকায় আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যেগুলোতে আপস করতে কেউই প্রস্তুত নয়। ইরান তার পারমাণবিক ও আঞ্চলিক নীতির ক্ষেত্রে পূর্বের কঠোর অবস্থানে অটল। ওয়াশিংটনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ ও ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবিতে অনড়, ফলে যুদ্ধবিরতি এখনও অনেকটা ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠিয়েছে ইরান। যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘আত্মসমর্পণের’ শামিল বলে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আলোচনা মানেই আত্মসমর্পণ নয়। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরান যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’। তিনি জানান, ইরানের পাঠানো জবাব তার পছন্দ হয়নি। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মঙ্গলবার বহুজাতিক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এতে ৪০টির বেশি দেশের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওপর ইরান ইস্যুতে চাপ প্রয়োগ করতে পারেন ট্রাম্প। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান। 

আমেরিকার প্রস্তাব আত্মসমর্পণের শামিল- ইরান: যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘আত্মসমর্পণের’ শামিল বলে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। এর বদলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার’ দাবিতে অনড় রয়েছে দেশটি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে। 

আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, ইরানের এই পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া, পুনরায় কোনো হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা দেওয়া এবং ইরানের তেল বিক্রির ওপর থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, ইরানের জবাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই তেহরান জানিয়েছে, তারা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সকে হুঁশিয়ারি তেহরানের: হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হলে ‘তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে বলে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সতর্ক করেছে ইরান।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন হামলা: গতকাল রোববার উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। কাতারের দিকে যাওয়া একটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন আঘাত হানলে সামান্য আগুন লাগে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কুয়েতও একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত পুরোপুরি সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হয়নি।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইরানের ট্যাংকার বা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্থাপনা ও শত্রুপক্ষের জাহাজে পাল্টা হামলা চালানো হবে।

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্থাপিত চার দফা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে ইরান। চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রাহমানি ফাজলি বলেছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই নিরাপত্তা ও যৌথ উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তেহরান এই প্রস্তাবকে সমর্থন দিচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত ফাজলি এক বিবৃতিতে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও উত্তেজনার মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে ইরান সবসময়ই কূটনৈতিক উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। 

তিনি বলেন, চীনের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনাও সৃষ্টি করতে পারে। ইরান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাম্প্রতিক বৈঠকেও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। উভয় দেশই বিশ্বাস করে, সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে সংলাপ এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সংকট সমাধান সম্ভব।

এর আগে বেইজিংয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চার দফা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। যদিও ওই পরিকল্পনার বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এতে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক সংলাপ জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহিরাগত হস্তক্ষেপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে চীনের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন তাৎপর্য বহন করছে। বিশ্বশক্তিগুলোর মধ্যে চীন এখন ক্রমেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

এদিকে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সমঝোতাভিত্তিক কূটনৈতিক পদক্ষেপই মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত বেড়ে ২৮৬৯: ইসরায়েলের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন চিকিৎসাকর্মীও রয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত রোববার বলা হয়, ইসরায়েলি শত্রুরা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের নীতিমালা লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। তারা চিকিৎসাকর্মীদের বিরুদ্ধে অপরাধ করে যাচ্ছে। ইসরায়েল লেবাননের বেন্ত জবেইল জেলার কালাউইয়া ও তিবনিনে দুটি চিকিৎসাকেন্দ্রে দুই দফায় সরাসরি হামলা চালিয়েছে। অথচ গত ১৬ এপ্রিল থেকে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। দুই পক্ষের হয়ে এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার অস্ত্র তুলেছে।

গত ২ মার্চ ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে। তার পর থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ২ হাজার ৮৬৯ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘ বলেছে, নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ১৩০টির বেশি ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে অন্তত ১০৩ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত ও ২৩০ জন আহত হয়েছেন।

লেবাননের ৯ গ্রাম খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলের: লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ লেবাননের ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে বড় ধরণের বিমান ও স্থল অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তালিকায় থাকা গ্রামগুলো হলো- আল-রিহান, জারজৌহ, কাফর রুম্মানে, আল-নেমিরিয়েহ, আরাবসালিম, জেমজিম, মাশঘারা, কালাইয়া এবং হারুফ। মুখপাত্র জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর গোপন আস্তানাগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল, তাই বেসামরিক নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই এলাকা ত্যাগের নির্দেশ।

লেবাননের স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই নির্দেশের পরপরই নাবাতিয়েহ অঞ্চলের ইউহমোর আল-শাকিফ, তুল এবং শৌকিন এলাকায় অন্তত ৯টি শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এছাড়া আবা এলাকাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বিমান হামলায় ব্যাপক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, সারবিন ও ইয়াতের এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত একজনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সূত্র।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৮ হাজার ৫০০টির বেশি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৮৪৬ জন নিহত এবং ৮ হাজার ৬৯৩ জন আহত হয়েছেন। হতাহতদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু।

এদিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইসরায়েলের অব্যাহত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা নিয়মিত রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংগঠনটি জানায়, মঙ্গলবার আল-তাইবেহ এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে একটি বিশেষ ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে যে, লেবানন সীমান্তবর্তী মানারা এলাকায় ড্রোন বিস্ফোরণে তাদের একজন সেনা নিহত হয়েছে। গত এক মাসে এ নিয়ে ১৮ জন ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই দুই দেশই অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামের অধিকারী। হামলার শুরুতেই ইরানের বহু সংখ্যক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী। এতে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ বহু শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এছাড়াও স্কুলে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৭০ শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়। গোটা দেশ যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। তবে চুপ করে বসে থাকেনি ইরানও।

তৎক্ষণাৎ পাল্টা হামলা শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে দেখা দেয় অস্থিরতা। গোটা দুনিয়াকে ঠেলে দেয় অর্থনৈতিক মন্দার দিকে।

টানা ৩৯ দিন ধরে এই যুদ্ধ চলে। অবশেষে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসে দুই দেশ। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে সেটিকে এক রকম একক সিদ্ধান্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে শান্তিচুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর


Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন