Logo

আন্তর্জাতিক

খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানে নজিরবিহীন আয়োজন

Icon

হাসান রাজীব

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ২১:৩৭

খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানে নজিরবিহীন আয়োজন

# চলছে জানাজার আনুষ্ঠানিকতা

# আধুনিক ইতিহাসের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জানাজা

# বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদন

# অন্তত দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণের আশা

# ৯১টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ

# অংশ নেয়নি সৌদি আরব

# দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

# নিরাপত্তা ও লজিস্টিকের নজিরবিহীন প্রস্তুতি

# ইরান-ইরাকের পাঁচ শহরজুড়ে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি

# যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা স্থগিত

প্রায় চার মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনির জানাজা ও দাফনকে ঘিরে নজিরবিহীন আয়োজন শুরু হয়েছে। খামেনি ও তার সঙ্গীদের মরদেহ শুক্রবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়। সেখানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুই দিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য ও জানাজা উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরজুড়ে সাত দিনব্যাপী শোক ও শেষ বিদায়ের কর্মসূচি চলছে। এই বিশাল আয়োজনে ৯১টি দেশের প্রতিনিধি এবং ৩০টিরও বেশি দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আয়োজনে অন্তত ২ কোটি মানুষের সমাগম ঘটবে। এতে বিভিন্ন দেশের নেতা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা জননেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নিয়ে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

শুক্রবার ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

এদিন প্রথম বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় পণ্ডিত এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এছাড়া সাবেক নেতাকে সম্মান জানাতে ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিরাও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন।

মেহের নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তার দাফন প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ইরানে পৌঁছেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের পর শুক্রবার থেকে সর্বজনীন শ্রদ্ধা নিবেদনের পর্ব শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং নেতার কার্যালয়ের কর্মীদের স্বজনরা তাকে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছেন। একই সঙ্গে সর্বস্তরের ইরানিদের সাবেক সর্বোচ্চ নেতার দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান যখন ইসলাম ও বিপ্লবের একনিষ্ঠ সেবককে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমি জাতি, ধর্ম, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা প্রবণতা নির্বিশেষে সবাইকে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এবং ইতিহাসে স্মরণীয় সংখ্যায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। এটি আমাদের জাতীয় ঐক্য এবং ইসলামের মহৎ আদর্শের প্রতি আনুগত্যের এক স্থায়ী চিত্র তুলে ধরবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ও রোববার এ অনুষ্ঠান চলবে এবং সোমবার তেহরানে একটি বিশাল র‌্যালির আয়োজন করা হবে। এ সময়ে খামেনির মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে। এরপর পবিত্র শহর কোমে আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নজফে আরও কিছু কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। সবশেষে ৯ জুলাই মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

সাত দিনব্যাপী অনুষ্ঠান: শুক্রবার তেহরানে শুরু হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা। ইরান ও ইরাকে নানা ধর্মীয় আয়োজনে সাত দিন এই আনুষ্ঠানিকতা চলবে। এতে বিভিন্ন দেশের নেতা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা পণ্ডিতেরা অংশ নিয়ে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে সর্বসাধারণের জন্য জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সাধারণ মানুষের বিদায় জানানোর সুবিধার্থে খামেনি এবং তাঁর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের কফিন তেহরানের প্রধান ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় সমাবেশস্থল গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে।

৬ ও ৭ জুলাই খামেনির মরদেহ নিয়ে একটি শোকমিছিল তেহরানের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করবে। পরে তা রাজধানী থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত কোম শহরের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

কোম ইরানের শিয়া ইসলামি শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র এবং দেশটির অন্যতম পবিত্র শহর। এখানে ইরানের বৃহত্তম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অবস্থিত। হাজারো আলেম ও শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন। আলী খামেনিও জীবনের একটি পর্যায়ে এখানেই অধ্যয়ন করেছিলেন। ইরান ও ইরাকের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুলাই ইরাকের নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খামেনির মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে। এরপর নাজাফ ও কারবালা শহরে জনসাধারণের শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

নাজাফে অবস্থিত ইমাম আলীর মাজার শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান। প্রতিবছর সেখানে লাখো শিয়া ধর্মানুরাগী সমবেত হন। বিশ্বাস করা হয়, সেখানে মহানবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) চাচাতো ভাই, জামাতা হজরত আলী ইবনে আবি তালিবের (রা.) সমাধি রয়েছে। অন্যদিকে কারবালায় অবস্থিত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সৎভাই আব্বাসের মাজারও শিয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে মুহাম্মদ (সা.)–এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন ও আব্বাস নিহত হন।

সবশেষে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। সেদিন মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে দাফন করা হবে। মাশহাদ ইরানের সবচেয়ে পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচিত। ইমাম রেজা শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমাম। এই শহরের সঙ্গে খামেনির ব্যক্তিগত সম্পর্কও গভীর। ১৯৩৯ সালে মাশহাদেই তাঁর জন্ম। শৈশব ও কৈশোরের বড় একটি সময় তিনি এই শহরে কাটিয়েছেন। এখানকার ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার পর তিনি উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের জন্য কোমে যান।

শিয়া ইসলামের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ইমাম রেজার মাজারের পাশে সমাহিত হওয়া অত্যন্ত সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

মরদেহের সামনে মানুষের ঢল: শুক্রবার থেকেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনির কফিনের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন শোকাহত মানুষ। মাশহাদের ইমাম রেজার মাজার থেকে আনা একটি লাল পতাকা তার কফিনের ওপর স্থাপন করা হয়েছে, যা শিয়া ঐতিহ্যে শহীদত্ব ও প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নতুন প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি দীর্ঘদিন জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকার পর বৃহস্পতিবার রাতে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন। এটিই যুদ্ধ শুরুর পর তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি বলে জানিয়েছে এএফপি।

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নেয়নি সৌদি: ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন। এরমধ্যে কয়েকটি দেশের প্রেসিডেন্টও অংশ নিয়েছেন। তবে খামেনির শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিল না সৌদির কেউ।

কেবল শোক নয়, রাজনৈতিক বার্তাও: বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির জানাজা ও দাফনকে কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ইরানি রাষ্ট্রের শক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, এই শোকযাত্রা বিশ্বকে দেখাবে যে ইরান নিপীড়নের সামনে মাথা নত করে না এবং তাদের নেতার রক্তের বিচার ভুলে যাবে না।

সিএনএনের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ অর্থনৈতিক সংকট ও ভয়াবহ যুদ্ধের পরও ইরান বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে বার্তা দিতে চাইছে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে আছে এবং তাদের প্রয়াত নেতাকে প্রতিরোধ ও দৃঢ়তার প্রতীকে পরিণত করা হবে।

নিরাপত্তা ও লজিস্টিকের নজিরবিহীন প্রস্তুতি: সরকারি হিসেবে, অন্তত ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষ খামেনির শেষযাত্রায় অংশ নিতে পারেন। এ কারণে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তেহরানে ২ হাজার ৫০০ অ্যাম্বুলেন্স, ২১টি হেলিকপ্টার, ১০০টি ড্রোন এবং হাজারো উদ্ধারকর্মী মোতায়েন রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২০ হাজার শ্রেণিকক্ষ, কয়েক ডজন হাসপাতাল এবং পাঁচ লাখ লিটার স্যালাইন।

রাজধানীর বিমানবন্দরগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে এবং ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। শহরজুড়ে ৭০০টির বেশি পার্কিং এলাকা খালি রাখা হয়েছে। শোকাহত মানুষের খাবারের জন্য ৫ কোটি রুটি তৈরির পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার। এ কাজে তেহরানে মোবাইল বেকারিও মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উপস্থিতি: ইরানের দাবি, ৩০টির বেশি দেশের নেতা ও প্রতিনিধিদল এবং ৯০টি দেশের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এই আয়োজনে অংশ নেবেন। পাকিস্তান, রাশিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতির কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও পশ্চিমা কোনো রাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তবু ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটজন রাষ্ট্রপ্রধান ও ১২ জন পার্লামেন্ট স্পিকার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক, যার মধ্যে ৯০০ জন বিদেশি এ আয়োজন কভার করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা স্থগিত: মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দোহায় চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ আলোচনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে, যাতে কূটনীতিক ও আলোচকরা এই আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারেন।

মোজতবা খামেনিকে ঘিরে জল্পনা: এই জানাজাকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো—নতুন সর্বোচ্চ নেতা এবং আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসবেন কিনা।

ফেব্রুয়ারিতে একই হামলায় তার মা ও স্ত্রী নিহত হন এবং তিনি নিজেও আহত হন বলে জানা যায়। এরপর থেকে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি এবং কেবল লিখিত বার্তার মাধ্যমে সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তার উপস্থিতি নতুন নেতার বৈধতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে অনুপস্থিতি তার শারীরিক অবস্থা এবং প্রকৃত ক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে। তবে সব ইরানিই যে এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে সমানভাবে আবেগাপ্লুত, তা নয়। সিএনএনকে তেহরানের এক বাসিন্দা বলেছেন, বিশাল ভিড়ের কারণে দুই দিন ধরে তিনি জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি এবং অনেক মানুষ ছুটির সুযোগে শহর ছেড়ে চলে গেছেন। তবু ইরানি কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য স্পষ্ট-আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষযাত্রাকে আধুনিক ইতিহাসের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জানাজায় পরিণত করা এবং বিশ্বমঞ্চে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শক্তি ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন